ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি, ঠাট্টা-হাসিতে সব সময় মাতিয়ে রাখতো সহপাঠীদের। সেই ইয়াকুবই আজ আর নেই! অন্য সবার মতো তা মানতে পারছেন না ইয়াকুবের দীর্ঘ দিনের সহপাঠী থেকে শুরু করে পরিচিতজনেরা।
ঢাকা থেকে নিজের বাড়ি ত্রিশালে যাওয়ার পথে গতকাল মঙ্গলবার ভালুকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে যান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইয়াকুব।
তারই এক সহপাঠী মাহবুব আলম মামুনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ইয়াকুবকে স্মরণের পরই সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশের। সকলের কাছেই তার মৃত্যুর সংবাদটি ছিলো নিষ্ঠুর বাস্তবতার এক সদ্য অতীত।
“এইতো সেদিনের কথা বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। মিষ্টি হাসি দিয়ে বললো জয় কেন আছো? ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে ইয়াকুব নেই!” এ ভাবেই তাকে স্মরণ করেছে দীর্ঘ দিনের বন্ধু জয়।
ইয়াকুবের সঙ্গে কাটিয়ে আসা দিনগুলো যেনো স্মৃতিকাতর করে তুলেছে হুমায়ূন কবিরকে। তিনি ইয়াকুবকে স্মরণ করেছেন এভাবে, “অতীতের স্মৃতিগুলো মনে হচ্ছে আর কষ্ট হচ্ছে। তোর হাসি ভুলতে পারবো না। আল্লাহ তোকে জান্নাতবাসী করুক। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।”
ঝরণা আক্তারের তো বিশ্বাসই হচ্ছে না ইয়াবুক আর নেই। তার অসীম প্রার্থনা; যেনো ইয়াকুবের বাবা-মা পুত্র হারানোর এ শোক সামলে ওঠতে পারেন।
এমন হাসি ভরা মুখ আর না দেখতে পাওয়ার আক্ষেপও ছিলো কারও কারও কণ্ঠে। এমনই ভাবে একজন স্মরণ করেছেন: “এমন ভালো, ভদ্র, হাসি খুশি মানুষ আমার জীবনে আর একটাও দেখিনি, ভালো মানুষগুলো বুঝি হঠাৎ করেই এমনি ভাবে হারিয়ে যায়, অনেক অনেক মিস করবো বন্ধু তোমায়, হয়তো তোমার ঐ হাসি ভরা মুখটি আর কোনদিন দেখতে পাবো না, তবুও তুমি রয়ে যাবে আমাদের সবার হৃদয়ে যুগ যুগ ধরে।”






