জ্বালানী তেলের দাম কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী মাসেই, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার আগেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই কথা বলেছেন নতুন স্কেলে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পাওয়ার বিষয়ে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ’র বিদায়ী নির্বাহী পরিচালক রাকেশ মোহনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জ্বালানী তেলের দাম পুন:নির্ধারনের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।
জ্বালানী তেলের দাম কমানো প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখনই এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই পেট্রোলিয়াম প্রডাক্টের দাম নিয়ে বৈঠকে বসবেন তিনি। সবকিছু ঠিক করে বিষয়টি পাঠানো হবে অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে।
জ্বালানী তেলের দামকমানোর মতো সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও সুরাহা হবে সেপ্টেম্বরে। অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত। আগামী মাসেই বাদবাকী সব সম্পন্ন হবে। তবে দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা এবং কাগজপত্রের জন্য কিছু সময় লাগছে। এসব কাজ শেষ হলেই পে স্কেল বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।
বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানী তেলের দাম কমছেই। সর্বশেষ প্রতি ব্যারেল তেলের দাম নেমেছে ৪০ ডলারে। ২০০৯ সালের মার্চের পর জ্বালানী তেলের এতো দাম কমেনি কখনো, আবার দাম কমলেও দেশের বাজারে তা কমেনি। সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ জানুয়ারি জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিলো। এই সময়ে ৪ হাজার কোটি টাকার ওপরে মুনাফা করেছে বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন বিপিসি।
আজ আইএমএফ’র নির্বাহী পরিচালকের পর অর্থমন্ত্রী সৌজন্য সাক্ষাৎ দেন বাংলাদেশে সফররত আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক বিট্রিশ প্রতিমন্ত্রী ডেসমন্ড এনগুস সোয়াইনের সঙ্গে।






