ঈদে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির তৃতীয় দিনেও তিল ধারণের জায়গা ছিলো না কমলাপুর রেল স্টেশনে। এদিন দেওয়া হয় ১৫ জুলাইয়ের আগ্রিম টিকিট। আগের দিন রাত থেকেই টিকিট কিনতে কমলাপুর রেলস্টেশনে অনেকেই লাইনে দাঁড়ান।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পর টিকিট পেয়ে অনেককেই হাসি মুখে স্টেশন ত্যাগ করতে দেখা যায়। আবার কেউ কেউ তা না পেয়ে হতাশা নিয়ে খুঁজতে থাকেন বিকল্প উপায়। টিকিট কালোবাজারি সন্দেহে এদিন চারজনকে আটক করে পুলিশ।
শনিবার সকালে যখন টিকিট বিক্রি শুরু হয় তখন ভিড় আরো বেড়ে যায় কাউন্টারগুলোর সামনে। তবে বেশির যাত্রীই ফিরেছেন হাসিমুখে।
এমনই একজন যাত্রী বলেন, রাত তিনটে থেকে দাঁড়িয়ে আছি টিকিটের জন্য। এখন তা পেয়ে খুব খুশি লাগছে।
টিকিট পেয়েছেন এমন আরেক ব্যক্তি বলেন, সকাল আটটার দিকে এসেই টিকিট পেয়ে গেছি।
নারীদের জন্য একটি মাত্র কাউন্টার থাকায় লাইনের শেষ খুঁজে পাওয়া কষ্ট ছিল। শত কষ্ট করে হলেও টিকিটি পেয়ে বাড়ি ফেরার আনন্দেন হাসি তাদের মুখে।
টিকিট প্রত্যাশী আরেকজন নারী বলেন, ‘একদিনের জন্য ঈদ করব এটাই সবচেয়ে আনন্দের বিষয়, এ জন্য কষ্ট হলেও আনন্দ আছে।
আগাম টিকিট বিক্রি উপলক্ষে কমলাপুর স্টেশনে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন।
তিনি বলেন, আমরা কিন্ত কালোবাজারির কোনো অভিযোগ পাইনি। কালোবাজারি যারা করে; তাদেরকে ধরতে আপনারা আমাকে হেল্প করেন। আমরা তাদেরকে ধরবো।
ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিকিট দেওয়া প্রসঙ্গে আমজাদ হোসেন বলেন, ‘কেউ যদি মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে টিকিট কাটে এবং রেলওয়ে এলাকার বাইরে বিক্রি করে সেখানে আসলে আমাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না।’
আগামীকাল কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে দেওয়া হবে ১৬ জুলাইয়ের আগাম টিকিট।
রোববার তাই অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপ সামলানো এবং কালোবাজারি ঠেকাতে বাড়তি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়ন থাকবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।







