সিলেট থেকে: প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আলো ছড়িয়ে আসা আবু জায়েদ রাহি টেস্ট দলে জায়গা মজবুত করে ফেলেছেন অল্পসময়েই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পর আছেন ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজেও। সিলেটের আরেক পেসার খালেদ আহমেদ টেস্ট খেলার মঞ্চ পেয়ে গেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে।
অথচ রানের ফল্গুধারা ছুটিয়েও টেস্ট দলে আসতে পারছেন না তুষার ইমরান, মিজানুর রহমানদের কেউ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কয়েকবছর ধরেই বেশ ধারাবাহিক তুষার-মিজানুর। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশে মিজানুর জায়গা পেলেও তুষারকে আরেকটু বড় মঞ্চে পরখ করার প্রয়োজন মনে করেননি নির্বাচকরা।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বোলাররা পারফরম্যান্সের প্রতিদান পেলেও ব্যাটসম্যানরা কেনো পাচ্ছেন না? ব্যাখ্যা দিয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন। সিলেটে টেস্ট দলের সঙ্গে থাকা এ নির্বাচক বললেন, ‘ব্যাটসম্যানের সংখ্যা অনেক বেশি(হাসি)। জাতীয় দলে যারা আছে তারা ভালো করছে। তারা পারফর্ম করায় জায়গা ফাঁকা হচ্ছে না। যদি দেখেন সবাই পারফর্ম করছে, বাইরে যারা আছে তাদের জন্য দুর্ভাগ্য বলতে পারেন।’
‘আবার আমাদের জন্য সৌভাগ্য বলতে পারেন দলে যারা আছেন তাদের অন্য কাউকে দিয়ে অদলবদল করতে পারছি না। আমাদের দলটা এত ভালো হয়ে গেছে।’
রাহির টেস্ট অভিষেক হয়েছিল অ্যান্টিগায়। খালেদের হতে পারে নিজ শহর সিলেটে। স্টেডিয়ামটির অভিষেকের মঞ্চে সুযোগ এলে দুই লোকালবয় যেন চাপ সামলে ম্যাচটা উপভোগ করেন সেটি পরামর্শই হাবিবুলের।
‘যেহেতু ঘরের মাঠে খেলা, রাহি আর খালেদের উপর আলাদা একটা চাপ থাকবে। আমি চাইব তারা যেন খেলাটা উপভোগ করে। বাংলাদেশ দলে যাদের নেয়া হয়, ভালো পারফর্ম করার জন্যই নেয়া হয়। খালেদকে বেশকদিন থেকেই আমরা নার্সিং করছি, এইচপিতে, ‘এ’ দলে। ওর পথচলাটা এই টেস্ট দিয়েই হবে যদি সুযোগ পায়। আশা করি ভালো করবে।’
খালেদের বোলিংয়ের বিশেষত্ব নিয়ে হাবিবুল বাশার বললেন, ‘লম্বা সময় ধরে একই জায়গায় বল করতে পারে। সে খুব ফিট খেলোয়াড়। টেস্ট ম্যাচে যেটা হয় একটা ছন্দে অনেকক্ষণ ধরে বল করতে পারে। পেস আছে, বাউন্স আছে। ওর উচ্চতাটা খুব ভালো, যার জন্য বাড়তি বাউন্স পেয়ে থাকে।’









