মুশফিকুর রহিম (৮৫) সাজঘরে ফেরার পর ঘনকালো মেঘ ভর করে গলের আকাশে। এরপর মাঠের দুই আম্পায়ার সাময়িকভাবে খেলা স্থগিত করতে বাধ্য হন। আলোর স্বল্পতা দূর হওয়ার পর মাঠে নেমেই বাংলাদেশের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ থেমেছে ৩১২ রানে। মুশফিকরা প্রথম ইনিংসে লঙ্কানদের থেকে ১৮২ রানে পিছিয়ে।
বৃহস্পতিবার লাঞ্চের পর থেকেই আকাশে মেঘ জমে। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে বৃষ্টির শঙ্কায় মাঠের কিছু কিছু জায়গা ঢেকেও রাখা হয়। বাংলাদেশ গুটিয়ে যাওয়ার পরপরই সেই বৃষ্টি নেমেই ছেড়েছে। আপাতত লম্বা বিরতির আভাস দিয়ে রাখছে আবহাওয়া।
তৃতীয় দিন সকালে দ্রুত ফিরে যান আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার (৭১)। সৌম্যকে লেগ স্টাম্পের উপরে শর্ট বল করেছিলেন সুরাঙ্গা লাকমাল। প্রথম ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কী মনে করে শেষ মুহূর্তে ব্যাট দিতে চান। অলস এই শটের খেসারত দেন ফাইন লেগে ধরা পড়ে। ফেরার আগে ১৩৭ বলে ৭১ রান করে গেছেন।
এরপর দ্রুত ফিরে যান সাকিব (২৩)। তাকে ফিরিয়েছেন লাক্সান সান্দাকান। তার আউটের ধরণটাও প্রায় তামিমের মতো। লেগ স্টাম্পের বলে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন। দ্রুত এসে ফিরে যান মুমিনুল হক (৭)। বোল্ড হওয়ার আগে রিয়াদ করেছেন ৮।
মুশফিকের সঙ্গে মিরাজ ১০৬ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরার আগে মিরাজ করেছেন ৪১।
শ্রীলঙ্কা সবকটি উইকেট হারিয়ে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান করে। বাংলাদেশের সফল বোলার বলতে এক মিরাজ। ২২ ওভার বল করে ১১৩ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়েছেন তরুণ স্পিনার। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা মোস্তাফিজ ২৫ ওভারে দুই উইকেট নিয়েছেন। রান দিয়েছেন ৬৮। সবচেয়ে বেশি হাত ঘুরিয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৩২ ওভারে ১০০ রান খরচায় এক উইকেট তার। শুভাশিস রায় প্রথমদিন এক উইকেট নিয়েছিলেন। তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। তাসকিন ফিরিয়েছেন একজনকে।
লঙ্কানরা বড় স্কোর গড়ে কুশল মেন্ডিসের ব্যাটে ভর করে। প্রথম দিন শুভাশিসের বলে শূন্য রানে জীবন পাওয়া এই ব্যাটসম্যান একাই করেছেন ১৯৪। আসিলা গুনারত্নে মিডলঅর্ডারে ৮৫ করে তাকে সঙ্গ দেন। নিরোশান ডিকেওয়াল্লা করেন ৭৫। অর্ধশতক পেয়েছেন দিলরুয়ান পেরেরাও (৫১)।







