মুশফিকের সঙ্গে অর্ধশতাধিক (৫৯) রানের জুটি গড়ে দলকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। ২৬তম ওভারের শেষ বলে দেখার মতো এক গুগলিতে তাকে বোকা বানান ইমরান তাহির।
সাকিব তখন ২৯ রানে। তাহিরের হাত থেকে বেরুনো গুগলি বেশ খানিকটা টার্ন করে। সাকিব সামনে এগিয়ে খেলতে যেয়ে স্লিপে হাশিম আমলার হাতে ধরা পড়েন। দল ছিল ১২৬ রানে।
এদিন তামিম নেই। সৌম্যও বাদ। মাশরাফী-হাথুরুসিংহে ওপেনে নামিয়ে দেন ঘরোয়া ক্রিকেটের রানমেশিন লিটন দাসকে। সঙ্গে ইমরুল কায়েস। লিটন শুরু থেকে সাহসী সব শট খেলে কাগিসো রাবাদার গতিতে ভড়কে যেয়ে স্লিপে ধরা পড়েন।
নবম ওভারের পঞ্চম বলে গতি ছিল ঘণ্টায় ১৪৪ কি.মি। গুডলেন্থে পড়ে বল শেষ মুহূর্তে কিছুটা নিচু হয়ে যায়। লিটন সামনে শরীর নিয়ে ডিফেন্স করতে যেয়ে বাইরের কানায় লাগান। ব্যাট চুমু দিয়ে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে। ওখানে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা স্লিপ ফিল্ডার ফ্যাফ ডু প্লেসিস। মাটি ছোঁয়ার সেকেন্ড ব্যবধান আগে বল হাতে নেন। লিটন এই নিয়ে ১০টি ওয়ানডেতে মাঠে নামলেন। রোববার ২৯ বলে করে গেছেন ২১ রান। চারের মার ছিল চারটি। এরপর দ্রুত ফিরে যান ইমরুল কায়েস (৩১)।
প্রিটোরিয়াসের করা লেগ স্টাম্পে থাকা শর্ট বল আলতো করে খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন। ধরা পড়েন কিপারের হাতে।
টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের স্মৃতি ভালো নয়। ১২টি ওয়ানডে খেলে ১০টিতেই হার, দুটি ম্যাচ ভেসে যায় বৃষ্টিতে।
প্রথম ওয়ানডের ভেন্যু কিম্বার্লির ডায়মণ্ড ওভালে দুটি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। এই মাঠে ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ও ২০০৩ বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই তারা হেরেছে ৭ উইকেটে।







