কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর লাশ পাওয়ার জায়গা থেকে ঘাস ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করেছে র্যাবের ঢাকার একটি টিম। স্থানীয় সূত্রে এমন তথ্য জানা গেলেও এ ব্যাপারে র্যাব কিছু বলেনি।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেনের সঙ্গে কথা বললে এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।
স্পর্শকাতর এ মামলাটি মঙ্গলবার সিআইডিতে হস্তান্তর করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এরই মধ্যে সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে।
তনু হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওসি একেএম মনজুর আলম জানান, মামলাটির তদন্তভার সিআইডিকে দেয়া হয়েছে। হত্যার ঘটনা তদন্তে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল মঙ্গলবার কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তারা কুমিল্লা পৌঁছে পুলিশ সুপার মো: শাহ আবিদ হোসেনের সঙ্গে কুমিল্লা পুলিশ কার্যালয়ে বৈঠক করার পর ঘটনাস্থলে যান। সেসময় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার নাজমুল করিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূইয়া, আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিবির ওসি একেএম মনজুর আলমও তাদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যান।
শাহ আবিদ হোসেন জানান, সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন আমরা সিআইডির আরেকটি দলের অপেক্ষায় আছি। সিআইডির ক্রাইম সিনের ভ্যান ও যন্ত্রপাতিসহ টিমটি আসছে। বুধবার তনুর মরদেহ তোলা হতে পারে।
তিনি আরো জানান, সিআইডির এই টিমটির যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে।
সোমবার
কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম কলেজ ছাত্রী
তনুর মরদেহে পুনরায় ময়না তদন্তের নির্দেশ দেন। এর পরেই নতুন করে
ময়নাতদন্তের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে।
প্রাথমিক
সুরতহাল ও লাশের ময়নাতদন্তে কিছু অসঙ্গতি থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের কথা
উল্লেখ করে মরদেহে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন করে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা।
গত ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকার ঝোপঝাড়ে তনুর রক্তমাখা বিকৃত লাশ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।








