কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিতে দেরির বিষয়ে মুখ খুলেছেন ময়নাতদন্ত দলের প্রধান চিকিৎসক কামদা প্রসাদ সাহা। সিআইডি তনুর ডিএনএ প্রতিবেদনের মূল কপি পাঠিয়েছে কুমিল্লার আদালতে। তারা চিঠি দিয়ে বলেছেন, আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে প্রতিবেদন দেয়া হবে।
আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর মরদেহ উত্তোলন করে দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। দেড় মাস পার হয়ে গেলেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়নি ময়না তদন্তকারী দল।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ চিকিৎসক কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, আমরা যদি ওই ডিএনই রিপোর্টটি পাই তাহলে বোর্ডের পক্ষে মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছে কিনা, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে। এজন্যই ময়নাতদন্তকারী বোর্ড দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রতিবেদন প্রস্তুত করা জন্য কিছু সময় চেয়েছে। সিআইডি তনুর ডিএনএ প্রতিবেদন সরবরাহ করতে গড়িমসি করছে বলে দাবি ময়নাতদন্ত দলের প্রধানের।
২০ মার্চ রাতে কুমিল্লার ময়নামতি সেনানিবাসের ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ। এ ঘটনায় সারাদেশে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ২১ মার্চ প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার শারমিন সুলতানা। পরে সিআইডির পুলিশ সুপার ডক্টর নাজমুল করিম খান জানান, ডিএনএ টেস্টে তনুকে তিন জনের নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।








