তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ‘বাংলাদেশী ব্র্যান্ড’ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ।
আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই হার্ডওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার পাশাপাশি ২০১৬ সালে নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
বলেছেন, গাজীপুরের হাইটেক পার্ক পর্যন্ত রেল যোগাযোগের পাশাপাশি জনতা সফটওয়্যার পার্ক চালু হবে এ বছরই।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর পথে অনেকটা এগিয়েছে বাংলাদেশ। সময়ের প্রয়োজনে যেমন হাতে হাতে মোবাইল ফোন এসেছে তেমনি ভর্তি পরীক্ষা থেকে অর্থ লেনদেন হয়েছে প্রযুক্তিনির্ভর।
উপজেলা পর্যন্ত ফাইবার অপটিক কেবল টেনে ১৮ হাজার ১শ’ ৩২টি সরকারি অফিসকে আনা হয়েছে এক নেটওয়ার্কের আওতায়।
বছরে ৫০ হাজার তরুণকে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি গড়ে তোলা হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ২ হাজার কম্পিউটার ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব।
গেলো বছরের এসব অর্জনের স্বীকৃতিও মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন আইটিইউ’এর পুরস্কার। নতুন বছরে তাই নতুন লক্ষ্য বাংলাদেশের।
প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, চলতি বছরে কালিয়াকৈরে হাই টেক পার্কের নতুন ভবন দেখতে চাই। সঙ্গে সঙ্গে প্রথম পর্বে দশ একরের উন্নতি দেখতে চাই। সেখানে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ছাড়াও বেশ কয়েকটি ভবনের কাজ শেষ করতে চাই।
‘আমাদের টি-আর ফোর ডাটা সেন্টার বিশ্বের পঞ্চম। এটার কাজটা এ বছরেই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে চাই। চলতি বছর তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য তৈরির পরিকল্পনা করেছে সরকার।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ বছরেই আমরা বেশ কিছু নতুন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে চাই। কোরিয়াকে যেভাবে এলজি-স্যামসাং দিয়ে বিশ্ব চেনে, জাপানকে যেমন নিশান-টয়োটা দিয়ে চেনে, ঠিক সেভাবেই এ বছর আমরা চাই বাংলাদেশে একটা ব্যান্ড নিয়ে কাজ শুরু করতে। তাতে করে লোকলি যেমন সফটওয়্যার দেওয়াতে দ্বার উন্মোচন হয়েছে, সার্ভিস সেক্টরে যেমন বিপিও, বিপিএম, সেক্টরে এগিয়ে যাচ্ছি, ঠিক সেইভাবে হার্ডওয়্যারের প্রস্তুতকারক হিসেবে আমরা সারা বিশ্বের কাছে আসতে চাই।
স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা এমনকি আইনি খাতকেও তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সহসাই এর সুফল পেতে শুরু করবে মানুষ।







