গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করে দেয়ার বিশাল কেলেঙ্কারির মুখে পড়লেও ব্যবসায়িক দিক থেকে লোকসান হয়নি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। উল্টো আয় বেড়েছে অনেকখানি।
বিবিসি জানিয়েছে, তথ্য কেলেঙ্কারির পরও ফেসবুকের ত্রৈমাসিক বিক্রি প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে এর রাজস্ব বেড়ে ১১.৯, অর্থাৎ প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। যা এর আগে ছিল ৮ বিলিয়ন।
ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে থেকেও আমাদের কমিউনিটি এবং ব্যবসা ২০১৮ সালটা শক্তিশালীভাবে শুরু করেছে।’
ফেসবুক তার দায়িত্বগুলোকে আরও ব্যাপক পরিসরে পুনর্বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি। বলেন, তারা সচেতনভাবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করছেন, যেন নিশ্চিত করা যায় যে, তাদের দেয়া সেবাগুলো ভালো কাজে ব্যবহার হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত এর বিজ্ঞাপন থেকে রাজস্ব বেড়ে হয়েছে ১১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর একই সময়ে তা ছিল ৭.৮ বিলিয়ন ডলার।
প্রথম প্রান্তিকে ফেসবুকের মুনাফাও বেড়েছে। গত বছরের ৩ বিলিয়নের তুলনায় এবার তা বেড়ে হয়েছে ৪.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
গত মার্চের শেষে ফেসবুকের রিপোর্টিং পিরিয়ডের সামান্য আগেই ধরা পড়ে প্রতিষ্ঠানটির অননুমোদিত তথ্য বিক্রির বিষয়টি। পলিটিক্যাল কনসালটেন্সি ফার্ম ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা’র সঙ্গে মিলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য তাদের অনুমতি ছাড়া তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দেয়ার বিশাল কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়ে যায়।
৮৭ মিলিয়ন, অর্থাৎ পৌনে ৯ কোটির মতো ব্যবহারকারীর তথ্য অবৈধভাবে কনসালটেন্সি ফার্মটিকে সরবরাহের কথা স্বীকারও করে ফেসবুক। এজন্য ব্যবহারকারীদের কাছে ক্ষমা চান জাকারবার্গ।







