চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ঢাবিতে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ৪৬ শিক্ষকের বিবৃতি

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৬:৫১ অপরাহ্ণ ২৬, জানুয়ারি ২০১৮
শিক্ষা
A A

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার ঘটনায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬ জন শিক্ষক বিবৃতি দিয়েছেন। অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের উপর নিপীড়ন ও হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারে দাবি জানান তারা।

এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনা এড়াতে, হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তারা। ডাকসুসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয় শিক্ষকদের পক্ষ থেকে।

বিবৃতিতে বলা হয়: ‘‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলার বিভিন্ন ছবি এবং ফুটেজ আমাদের মর্মাহত করছে। এই বিষয়ে নানা প্রচার-অপপ্রচারে সাধারণ মানুষ বর্তমানে বিভ্রান্ত। সুতরাং এ বিষয়ে সত্য ধারণা তুলে ধরার জন্য এই বিবৃতি আমরা দিচ্ছি।

বাংলাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনের একটি ধারাবাহিক ইতিহাস আছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শামসুন্নাহার হল ছাত্র আন্দোলন, নিপীড়নবিরোধী নীতিমালা প্রণয়ন ও যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠনের দাবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলন ও সাম্প্রতিক সময়ে পহেলা বৈশাখে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে ব্যাপক আকারে সাড়া ফেললেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এইসকল আন্দোলনের দাবিগুলোকে মানা হয়নি। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি গড়ে ওঠা নিপীড়নবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে না নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বিভিন্ন মত থাকতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির ন্যায্যতা এবং আন্দোলনের প্রক্রিয়া নিয়ে আমাদের অনেকের মতভিন্নতা আছে। তবে, শিক্ষার্থীরা যেকোন দাবিতে উপাচার্যের কাছে যেতে পারেন। আমরা বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করলাম, গত ১৫ জানুয়ারি এই দাবিতে যখন আন্দোলন চলছিল, তখন সেই আন্দোলনের সমন্বয়কারীকে শিক্ষার্থীদের সামনে থেকেই ভিসি অফিসের ভেতরে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হলেও প্রায় দুই দিন তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নারী শিক্ষার্থীদের ঘিরে ধরে ছাত্রলীগ নামধারীরা তাদের উপর নানাভাবে যৌন হয়রানি করে এবং অশালীন গালিগালাজ করে, যার ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলনে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগের এই হামলা বিক্ষুব্ধ করে তোলে শিক্ষার্থীদের।

আমরা মনে করি, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি ন্যায্য হলে তা মেনে নিয়ে, কিংবা দাবির যৌক্তিকতা না থাকলে সেখানে শিক্ষার্থীদের যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে ও ধৈর্যসহকারে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রশাসন সে পথে না গিয়ে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। আন্দোলনরত নারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা এবং নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির ঘটনার প্রতিবাদে এরপর নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে চিহ্নিত নিপীড়কদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেয়। যেহেতু নিপীড়নবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রে যথাযথ বিচার না পাওয়ার উদাহরণ রয়েছে, সে কারণেই প্রশাসনের এই দাবি মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের টালবাহানা শিক্ষার্থীদের বিক্ষুব্ধ করে তোলে।

Reneta

আমরা লক্ষ্য করলাম, বিচার চাইতে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে গেলেও প্রক্টর তাদের কথা না শুনে তার অফিসের সামনে কলাপসিবল গেটটিতে তালা লাগিয়ে দেন। প্রক্টরের এই আচরণ শিক্ষার্থীদের আরো বিক্ষুব্ধ করে তোলে এবং তারই ফলশ্রুতিতে তালা ভাঙতে গিয়ে প্রক্টর অফিসের কলাপসিবল গেটটি ভেঙে ফেলে শিক্ষার্থীরা। এরপর প্রক্টর ঘটনাস্থলে আসেন এবং শিক্ষার্থীরা প্রক্টরকে সাথে নিয়েই উপাচার্যের কাছে যান এবং আটচল্লিশ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানায়। পরবর্তীতে উল্টো ৫০ জন অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মামলা দায়ের করে, যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটায়। নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যৌক্তিকভাবে এই ধারণা জন্মায় যে, নিপীড়নকারী ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দকে রক্ষা করতেই এই মামলা দেওয়া হয়েছে। অথচ আমরা দেখেছি, বছর দেড়েক আগে তৎকালীন উপাচার্যের গাড়িতে ছাত্রলীগ হামলা করে গাড়ির কাচ ভেঙে দিলেও তার বিরুদ্ধে মামলা তো দূরে থাক, কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি প্রশাসন।

আমরা অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী যখন শিক্ষার্থীরা ভিসির কার্যালয় ঘেরাও করতে গেলো, তখন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা তাদের সাথে কথা না বলে একাধিক ফটকে তালা দিয়ে রাখলেন। অথচ, উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও শিক্ষার্থীদের একটি প্রচলিত সাধারণ কর্মসূচি এবং সেটিকে প্রতিহত করতে বাইরের ফটকে তালা দিয়ে রাখার ঘটনা কাম্য নয়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে উপাচার্যের কক্ষের সামনে অবস্থান নেয় এবং উপাচার্যকে অবরোধ করে রাখে। দীর্ঘসময় পর উপাচার্য অন্য আরেকটি সভায় যোগদানের উদেশ্যে তার কক্ষ ত্যাগ করতে চাইলে আন্দোলনকারীরা তার পথরোধ করে। উপাচার্যের বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট হতে পারেনি এবং ঘেরাও প্রত্যাহার করতে রাজি হয়নি। এসময় আমরা দেখি ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা উপাচার্যকে ‘উদ্ধার’ করার নামে উপাচার্য ভবনে প্রবেশ করে। দফায় দফায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের খুঁজে খুঁজে তাদের উপর হামলা করা হয়। এই হামলায় আহত হয় ৫০ জন শিক্ষার্থী। নিপীড়নের বিচার চাইতে এসে আবারো নিপীড়নের শিকার হয় শিক্ষার্থীরা। অথচ, হামলার ঘটনার পরের দিন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে নিপীড়নবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বকে বহিষ্কারের দাবিতে ছাত্রলীগ ভিসি কার্যালয় ঘেরাও করলে তখন উপাচার্যের কার্যালয়ের বাইরের ফটক কিন্তু উন্মুক্তই ছিল! এতে পুনরায় প্রমাণিত হলো যে প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ করছে না।

আমরা মনে করি, সহিষ্ণুতার অভাব, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশের অভাব, শিক্ষাঙ্গনে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের আধিপত্য, স্বায়ত্তশাসনের মর্মবাণী বিস্মৃত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের দলীয়করণ ও লেজুড়বৃত্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিবেশ অস্থিতিশীল করার জন্য দায়ী। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায়, শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া উত্থাপনের কোনো প্লাটফরম পাচ্ছে না। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের একক দখলদারিত্ব থাকায় যেকোন প্রতিবাদকে দমন করা সহজ হয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এই অবস্থায় প্রশাসন আইনি পন্থা ব্যবহার না করে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করায় অবস্থার আরো অবনতি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, চট্টগ্রাম, রাজশাহী , সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রশাসন যে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না, সংবাদমাধ্যমে পাঠানো প্রেসবিজ্ঞপ্তি তার প্রমাণ। নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতিশীল না হয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠা, এবং আন্দোলন দমাতে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনকে ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরব ও ভাবমূর্তিকে ভীষণভাবে ক্ষুন্ন করছে।এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের উপর নিপীড়ন ও হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাই। সেই সাথে আমরা মনে করি এই ধরনের দুঃখজনক ঘটনা এড়াতে, হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রদের নিজস্ব প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে ডাকসুসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ব্যাপারে উদ্যোগ নিতেও আমরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাই। এর পাশাপাশি আমরা ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার্থে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাই।’’

বিবৃতিতে সাক্ষরকারী শিক্ষকরা হলেন; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেহাল করিম, এম এম আকাশ, গীতি আরা নাসরীন, কাবেরী গায়েন, ফাহমিদুল হক, তানজীম উদ্দিন খান, সামিনা লুৎফা, মোহাম্মদ আজম, মোশাহিদা সুলতানা, দেবাশীষ কুণ্ডু, সাজ্জাদ এইচ সিদ্দিকী, মুনাসির কামাল, অতনু রব্বানী, দীপ্তি দত্ত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আনু মুহাম্মদ, নাসিম আখতার হোসাইন, সৈয়দ নিজার আলম, মির্জা তাসলিমা সুলতানা, আইনুন নাহার, রায়হান রাইন, মানস চৌধুরী, পারভীন জলি, হিমেল বরকত, খন্দকার হালিমা আখতার রিবন, রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা, মোশরেফা অদিতি হক, মাহমুদুল হাসান সুমন, স্বাধীন সেন, সাঈদ ফেরদৌস, শরমিন্দ নিলোর্মি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভী চৌধুরী, তানভীর আহসান, ফারহানা সুস্মিতা, সৌম্য সরকার, কাজী অর্ক রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আর রাজী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌতম দত্ত, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহা তানজীম তিতিল, বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষক সুকান্ত বিশ্বাস, কাজী মশিউর রহমান, হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহবুবুল হক ভুঁইয়া, মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মো. আবুল কাশেম, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক গাজী এম এ জলিল।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ছাত্রলীগের হামলাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

দিবালা নেই, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দলে নতুনদের জয়জয়কার

মে ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ

মে ১১, ২০২৬

নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ব্রাজিলের

মে ১১, ২০২৬

প্রস্তুতি ম্যাচে থাইল্যান্ডের ক্লাবকে হারাল বাংলাদেশ

মে ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যখন খুশি ওষুধের দাম বাড়ানো যাবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

মে ১১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT