এবারই প্রথম গ্রাম থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে। বিশ্ববিদ্যালয় কৃর্তপক্ষ বলছে, ভর্তি প্রক্রিয়ার পুরোটাই অনলাইনে হওয়ার কারণে সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়াতে উচ্চ শিক্ষায় গ্রামের অংশগ্রহণ বাড়ছে।
উচ্চশিক্ষায় গ্রামের অংশগ্রহণ বাড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে ৬ হাজার ৮০০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৩ লাখ ২ হাজার ৪৮৯ জন। এরই মধ্যে খ ও গ ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়েছে। আবেদনপত্র যাচাই বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এবার গ্রামের কলেজগুলো থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের আবেদন বেশি জমা পড়েছে। 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ডিজিটাল প্রক্রিয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারি কত শতাংশ ছেলেমেয়ে গ্রাম থেকে এসেছে আর কত শতাংশ শহর থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে গ্রামের প্রতিনিধিত্ব বাড়ছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষার জন্য আবেদন করছে, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে এবং তাদের ফলাফলও অনেক ভালো।
উপাচার্য বলছেন, আবেদন প্রক্রিয়ায় এখন অংশ নিতে পারবে পাশ করা সব শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বলেন, আগে ছাত্রছাত্রীকে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে হতো। এখন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দিন ছাড়া আর সার্বিক বিষয়গুলো বাড়িতে বসেই, সেই প্রত্যন্ত গ্রামে বসেই সম্পন্ন করতে পারে। এটা ডিজিটাল প্রযুক্তির একটা প্রশংসনীয় দিক।
তিনি বলেন, উচ্চ শিক্ষার ব্যাপ্তি এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাইলেই গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম এখন চালানো সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে করা যায় কি-না সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে চিন্তা-ভাবনা করার পরামর্শ ভিসির।









