বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে সরগরম দেশের ফুটবল মহল। ফুটবলকে নতুন করে জাড়িয়ে তুলতে সবার আগে ফুটবল ফেডারেশনের পুনর্গঠন জরুরি বলে এর আগে মত দিয়েছেন সাবেক ফুটবলার ও ক্রীড়া সংগঠকরা।
এর মধ্যেই বাফুফের আগামী চার বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়েই ঢাকায় এসেছেন ফিফার চার কর্মকর্তা। দেশের ফুটবল উন্নয়নে ফিফার কাছ থেকে কি চায় বাফুফে?
ফিফার কাছ থেকে চাওয়া-পাওয়ার বিষয়ে বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায় চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘এখানে আসলে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নাই। ফিফা ফুটবল উন্নয়নের জন্য যে টাকা দেয়; তা কোথায় খরচ হবে, কীভাবে হবে, এটাই মূলত তারা নিশ্চিত করতে চাইছে। এই বিষয়ে তাদের সন্তুষ্টির প্রয়োজন।’
আলোচনা বুধবারই শুরু করেছে দুইপক্ষ। বৃহস্পতিবারও আলোচনা হয়েছে। ঢাকায় আসা ফিফা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন উন্নয়ন কর্মকর্তা সাজি প্রভাকরণ, টেকনিক্যাল অফিসার ভাইথিলিংগাম সুব্রামনিয়াম ও এএফসি টেকনিক্যাল অফিসার নুরাইয়াম আয়ামকুলোভা। দলটির প্রধান ফিফার সিনিয়র ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মাইক ফিস্টারও আলোচনায় যোগ দেন। 
ফিফা কর্মকর্তাদের আলোচনা হবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের সঙ্গেও। এছাড়া স্পনসর, ডিএফএ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বসবেন তারা।
বাদল রায় বলেন, ‘পুরো বিষয়ে একটি গাইডলাইন দেবে এবং তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলার ফুটবলসহ সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালাতে পরামর্শ দিয়েছে।’
প্রতিনিধিরা বয়সভিত্তিক ফুটবল আয়োজনেরও তাগিদ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশকে আগে প্রতি বছরে আড়াই লাখ ডলার দিত ফিফা। সেটা বেড়ে এখন হয়েছে ৫ লাখ ডলার। ফিফার নতুন সভাপতির ঘোষণা মোতাবেক, প্রকল্পভিত্তিক এখন থেকে ফিফা বছরে অন্তত ৫ লাখ ডলার বাড়তি অনুদান দেবে। সে হিসেবে আগামী চার বছরে বাংলাদেশ শুধু প্রকল্পভিত্তিক অনুদানই পাবে অন্তত ২০ লাখ ডলার।
এই অর্থ কিভাবে, কোথায় এবং কাদের হাত দিয়ে খচর হবে সেই ব্যাপারেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সফররত প্রতিনিধি দলটি।








