পিটার হ্যান্ডসকম্বের শৈশব-কৈশোর কেটেছে টেনিস খেলে। অস্ট্রেলিয়ান জুনিয়র টেনিস খেলতেন নিয়মিত। তিনবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনজয়ী স্বদেশী বার্নার্ড টমিকের খেলা দেখতেন কাছ থেকেই। তখন টমিকই তার প্রিয় খেলোয়াড়। একসময় ভালবাসা গিয়ে গড়ায় ক্রিকেটে। টেনিসের চেয়ে রোমাঞ্চকর মনে হতে থাকে ক্রিকেটকে।
সেই পিটার এখন অস্ট্রেলিয়া দলের টেস্ট ক্রিকেটার। এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মিডলঅর্ডারের স্তম্ভও। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করা পিটার ৮ টেস্টে ৫৪.২৭ গড়ে করেছেন ৫৯৭ রান। আছে দুটি সেঞ্চুরিও। বাংলাদেশের সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া দলের সারথী হয়ে এসেছেন ঢাকায়। রোববার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার পর টেনিস প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হল তাকে। ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ফিরে গেলেন শৈশবে।
‘আমি অল্পস্বল্প টেনিস খেলতাম। কিন্তু বানার্ড টমিকের মতো না। ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠার সময় টেনিস খেলতে আমার ভীষণ ভাল লাগতো। কিন্তু আমি কখনওই জিততাম না।’
একসময় টেনিসের চেয়ে ক্রিকেটটা বেশি বৈচিত্র্যময় মনে হতে থাকে পিটারের। টেনিসে হারের বেদনা হয়ত পুড়িয়েছে তাকে। টেনিসে কখনওই জয় না পাওয়া হ্যান্ডসকম্ব ব্যাটিংটা উপভোগ করতে থাকেন। হারলেও নামের পাশে রান তো ওঠে। এতেই সার্থকতা খুঁজতে শুরু করেন পিটার। লেগে থাকেন ক্রিকেট নিয়ে। ফলাফলটাও অভাবনীয়।
টাইগারদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য দলে ডাক পেয়ে এসেছেন বাংলাদেশে। তবে আজও টেনিসের প্রতি তার টান কমেনি। টেনিস-বল ও ব্যাটের সাথে তার ছেলেবেলার প্রেম আজও অটুট। এখনও সময় পেলে ছুটে যান অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দেখতে, ‘আমি এখনও টেনিস ভালবাসি। যখনই সময় পাই অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দেখি। আমি এখন ফেদেরার ভক্ত। ও দারুণ খেলে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন। ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতেই হল তাকে, ‘দেশের মাটিতে অন্যতম শক্তিশালী দলটির বিপক্ষে খেলা সহজ হবে না।’
মার্চে ভারত সফরের দলে ছিলেন হ্যান্ডসকম্ব। সেই অভিজ্ঞতাই এখানে কাজে লাগাবেন। বললেন সে কথাও।







