ঢাকায় ‘এশিয়ান থিয়েটার সামিট ২০১৭’ আয়োজন করা হয়েছে। ৫ ও ৬ মে এই ‘এশিয়ান থিয়েটার সামিট ২০১৭’ যৌথভাবে আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের এশিয়ান রিজিওনাল সেন্টার, পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সহযোগিতা করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গতকাল বুধবার জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সামিটের ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, ভিয়েতনাম সেন্টার ফর এডুকেশন অ্যান্ড কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফাম থি হং, একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক বদরুল আনম ভূঁইয়া, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক চাকলাদার মোস্তফা আল মাসুদ, পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য স্বদেশ রঞ্জন দাশগুপ্ত এবং মাহফুজা হিলালী হ্যাপী।
আন্তর্জাতিক এই সামিটে অংশ নেবেন ইন্দোনেশিয়া, ভারত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, নেপাল, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের ১৫-২০ জন থিয়েটার–বিশেষজ্ঞ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল ৫ মে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার হলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সামিটের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের এশীয় অঞ্চলের সভাপতি লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আইটিআই বিশ্বকেন্দ্রের সাম্মানিক সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, আইটিআই বাংলাদেশ কেন্দ্রের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ, নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, মামুনুর রশীদ, আবদুস সেলিম, দেবপ্রসাদ দেবনাথ, এস এম মহসীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিদুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ, পিটিএ’র ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল কৃষ্টি হেফাজ প্রমুখ।
আগামী ৬ মে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাদের দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির ওপর আলোচনা করবেন। পাশাপাশি কয়েকজন প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন এবং তার ওপর আলোচনা হবে।
সেমিনারের পাশাপাশি ৫ ও ৬ মে জাতীয় নাট্যশালার ৩ নম্বর মহড়া কক্ষ, সেমিনার রুম, এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হল এবং স্টুডিও থিয়েটার হলে দুই দিনব্যাপী পরিবেশনায় থাকছে দেশীয় বাউল সংগীত, চর্যা নৃত্য, গৌড়ীয় নৃত্য, শিশু নৃত্য ও নাটক, বিদেশি নাটক, ঐতিহ্যবাহী নাট্যের বিভিন্ন পরিবেশনা ও যাত্রাপালা।







