রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ঢাকার বায়ু দূষণ নিয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন এইচআরপিবি করা রিটে এক সম্পূরক আবেদনের পর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের হাইকোর্টে বেঞ্চ সোমবার নির্দেশনাগুলো দেন।
হাইকোর্টের দেয়া নির্দেশনাগুলো হচ্ছে:
* পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া যারা বিভিন্ন ধরনের টায়ার পোড়ানো ও ব্যাটারি রিসাইকেলিং বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
* ঢাকার পাশের নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজিপুর ও মানিকগঞ্জে যেসব অবৈধ ইটভাটা এখনো বন্ধ করা হয়নি সেগুলা বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
* যেসব পরিবহন নির্ধারিত মাত্রার বেশি কালো ধোঁয়া ছড়াচ্ছে সেগুলো জব্দের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর সড়ক পরিবহন আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবহনের ‘ইকোনোমিক লাইফ’ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। এবং যেসব পরিবহনের ‘ইকোনোমিক লাইফের মাত্রা ছাড়িয়েছে সেসব পরিবহন নিষিদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
* রাজধানীর রাস্তায় যেসব বালি, ময়লা, বর্জ্য পরিবহন করবে সেগুলোর উপরিভাগ ঢেকে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এবং নির্মাণ এলাকায় বালু, সিমেন্ট মাটিসহ নির্মাণ সামগ্রী ঢেকে রাখা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
* সিটি করপোরেশনের যেসব এলাকায় পানি ছিটানো হয়নি সেসব এলাকাসহ ধুলাবালি প্রবণ এলাকায় নিয়মিত পানি ছিটাতে বলা হয়েছে।
* দোকান বা মার্কেটের ময়লা-আবর্জনা বিন, বেগ বা ছালায় জমা করে দোকান বা মার্কেট বন্ধ করার সময় নির্ধারিত জায়গায় ফেলার বিষয়টি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া হাইকোর্ট আজ তার আদেশে ঢাকার বায়ু দূষণ এবং বায়ুমাণ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপিরচালককে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হতে বলেছেন।
সোমবার আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ আর উত্তরের সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম।







