ঢাবি প্রতিনিধি: আগামী বিজয় দিবসের আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের দাবি জানিয়ে গত দুইদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি চিরন্তনে অনশন করে আসছেন ওয়ালিদ আশরাফ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের এম এস এস (সান্ধ্যকালীন) দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
এরই মধ্যে অনশনরত ওয়ালিদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গত রাত থেকে যোগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী।
তাদের মধ্যে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তানভির আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ডাকসু আমাদের সকলের প্রাণের দাবি, শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নয় পুরো বাংলাদেশের মানুষের গণদাবি ডাকসু নির্বাচন। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের স্বার্থেই ডাকসুকে অচল করে রেখেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেই তার প্রতিবাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অবস্থান শুরু করেছি।
সোমবার বিকেলে স্মৃতি চিরন্তনে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজিরকে দেখা যায়। জানতে চাইলে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আজকেই তার সাথে আমার পরিচয় হলো, তিনি অনেক সাহসী উদ্যেগ নিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ ২৭ বছর ধরে ডাকসুর জন্য অপেক্ষা করছে। গণতন্ত্র চর্চার জন্য ডাকসু অপরিহার্য, তার এই প্রতিবাদের সাথে আমরা থাকব এবং সবার প্রতি আমার আহ্বান সকলে যেন তাকে সমর্থন দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী মোবাইলে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ডাকসু শিক্ষার্থীদের একটি গণতান্ত্রিক দাবি। যে কেউ এই দাবি জানাতে পারে। তবে অনশন যে কোন অন্দোলনের শেষ পর্যায়। কেউ যদি কোন কিছুকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বা লিখিতভাবে জানাতে পারেন। ফলাফল না পেলে তার মত তিনি কর্মসূচি দিতে পারেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওয়ালিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে কিনা জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, সে আমাদের কোনকিছু না জানিয়েই অনশন করছে। আমরা তার সঙ্গে কোন যোগাযোগ করব না। তবে সে চাইলে যেকোন সময় আমার সঙ্গে কথা বলতে পারে, তার দাবি-ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারে। আমি তাকে স্বাগত জানাব।
অন্যদিকে ওয়ালিদ আশা করছেন, প্রশাসন নিজ থেকে তার দিকে এগিয়ে আসবে, তার কথা শুনবে।







