ই-মেইল ফাঁস এবং ব্রেক্সিট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র ভূমিকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এবং পুরো যুক্তরাজ্যের প্রতি ‘অসম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট।
যুক্তরাজ্যকে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু হিসেবে ইঙ্গিত করে হান্ট টুইট করে বলেন, ‘বন্ধুরা সবসময় সোজাসাপটা কথা বলে। তাই আমিও বলছি: (ট্রাম্পের) এসব মন্তব্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং আমার দেশের জন্য অসম্মানজনক ও অনুচিত।’
টোরির সম্ভাব্য এই নেতা আরও বলেন, তিনি নেতৃত্বে এলে স্যার কিম ড্যারককে ক্রিসমাস, অর্থাৎ তার নির্ধারিত অবসর মেয়াদ পর্যন্ত রাষ্ট্রদূতের পদেই রাখবেন।
বিবিসি জানায়, এর আগে টুইটবার্তায় ট্রাম্প সোমবার ই-মেইল ফাঁসের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারককে ‘খুবই মূর্খ একজন মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও ব্রেক্সিট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে তার পরামর্শ উপেক্ষা করে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এসব বাদানুবাদের মাঝে মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী উইলবার রসের সঙ্গে ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সচিব লিয়াম ফক্সের নির্ধারিত বৈঠক বাতিল হয়েছে।
ওদিকে হোয়াইট হাউজ থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারকের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চালু রাখার কথা জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে ‘অযোগ্য’, ‘অদক্ষ’ এবং ‘উদ্ভট’ বলায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ড্যারকের সঙ্গে হোয়াইট হাউজ আর কোনো সম্পর্ক রাখবে না বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কিমের ইমেইল ফাঁস যুক্তরাজ্যের জন্য মঙ্গলজনক নয় মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ব্রেক্সিট বিষয়ে টুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে’র ভূমিকা এবং পদক্ষেপেরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, টেরেসা ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ায় ‘ঝামেলা বাঁধিয়েছেন’।
এরই প্রতিবাদ করে পাল্টা টুইটে ট্রাম্পের কথার সমালোচনা করেন জেরেমি হান্ট।








