বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা, স্থিতিশীলতা এবং আরব বিশ্বে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সৌদি আরবের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার রিয়াদে পৌঁছানোর পর বাদশা আব্দুল আজিজ মুখমণ্ডল খচিত একটি সম্মননা স্মারক ট্রাম্পের গলায় পরিয়ে দেন বাদশা সালমান। সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে ট্রাম্পের এ সফর।
তবে এই সম্মাননা পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি নন ট্রাম্প। তার আগেও বারাক ওবামা, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে এ সম্মাননা পেয়েছেন।
ট্রাম্প ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সঙ্গে নিয়ে এক গ্রান্ড পার্টিতে যোগ দেন। এসময় হোয়াইট হাউজের একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প সৌদি আরবে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান সৌদি বাদশা সালমানসহ সৌদির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ট্রাম্প ও মেলানিয়াকে এসময় বিমান থেকে লাল গালিচায় অভ্যর্থনা জানানো হয়।
তবে প্রথম সফর হিসাবে ট্রাম্পের সৌদিআরবে গমন যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদিআরব সম্পর্কের নবদিগন্ত খুলবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা্।
রাজকীয় ভোজ শেষে ট্রাম্প-সালমানের মধ্যে কিছুক্ষণ একান্তে আলাপ চলার পরে ট্রাম্প-সালমানের মধ্যে প্রায় ১১ হাজার কোটি ডলার মূল্যমানের অস্ত্রচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক অস্ত্রচুক্তি’বলে অভিহিত করেছে হোয়াইট হাউস।
অন্য এক চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে ১৫০টি অত্যাধুনিক ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার কিনবে সৌদি আরব।লকহিড মার্টিনের চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও সিইও ম্যারিলিন এ. হিউসন বলেছেন, ‘এ ঐতিহাসিক চুক্তি অংশীদার হতে পারায় আমরা গর্বিত। এ চুক্তি দু’টি দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।’








