নিজের সম্পত্তির হিসাব গোপন করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আড়াই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন জার্মান টেনিস কিংবদন্তি বরিস বেকার।
লন্ডনের একটি আদালতে এই রায় ঘোষণার পর ৫৪ বর্ষী বেকারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই দণ্ডের অর্ধেকটা সময় কারাগারে থাকতে হবে বরিসকে। বাকি সময় থাকবেন জামিনে।
৫ কোটি পাউন্ড স্ট্যার্লিং দেনার দায়ে তিন উইম্বলডন সহ ছয় গ্র্যান্ডস্ল্যাম শিরোপা জয়ী বেকারকে ২০১৭ সালে আদালত দেউলিয়া ঘোষণা করেন। দেনাদারদের হাত থেকে রেহাই পেতে ২৫ লাখ পাউন্ড স্ট্যার্লিং মূল্যের সম্পত্তির তথ্য গোপন করেন বিশ্বখ্যাত এই টেনিস তারকা।
তথ্য গোপনের অন্তত চারটি ঘটনার প্রমাণ পাওয়ায় আদালত তাকে আড়াই বছর কারাবাসের নির্দেশ দেন।
বরিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাড়ে তিন লক্ষ পাউন্ড তার সাবেক স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েও সেই তথ্য গোপন করেছেন। নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণার সময় উইম্বলডন ট্রফি, জার্মানিতে একাধিক স্থাবর সম্পত্তি এবং লন্ডনে একটি ফ্ল্যাট থাকার কথাও গোপন করেছিলেন এ কিংবদন্তি।
এছাড়াও স্পেনের মায়োরকায় একটি সম্পত্তি কিনতে তিন লক্ষ পাউন্ডের বেশি ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়েছিলেন বেকার। কিন্তু ঋণের কিস্তিও শোধ দেননি বিশ্বের সাবেক এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়।
খেলোয়াড়ি জীবনে অত্যন্ত সফল এই তারকা নিজের ঝুলিতে পুরেছেন ছয়টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম। টেনিস কোর্টের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবেও বিবেচনায় আনা হয় বরিসের নাম। সার্বিয়ান তারকা নোভাক জকোভিচের কোচিংয়েও যুক্ত ছিলেন এই জার্মান। তার অধীনেই সাতটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন নোভাক।
১৯৯৯ সালে পেশাদার টেনিসকে বিদায় জানান বরিস। মাত্র সতেরো বছর বয়সে প্রথমবার উইম্বলডন জেতার মহাকীর্তি গড়েছিলেন এই জার্মান।








