টাঙ্গাইল ও যশোরে পুলিশ ও র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বেগুনটালে মাদক বিরোধী অভিযানকালে বন্দুকযুদ্ধে মোঃ আফজাল (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এসময় দুই র্যাব সদস্যও আহত হয়। শুক্রবার দিবাগত ভোর ৫টার দিকে সদর উপজেলার বেগুনটাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আফজাল ওই গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।
টাঙ্গাইল র্যাব-১২ এর ৩নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর রবিউল ইসলাম জানান, বেগুনটালের দিকে র্যাবের একটি টহল গাড়ি যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে সেখানে মাদক ব্যাবসায়ীরা বিক্রি করার জন্য একটি চালান ভাগ করছে এবং সেবন করছে। পরে সেখানে অভিযান চালায় র্যাব।
সে সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা র্যাবকে লক্ষ করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এতে অজ্ঞাত এক মাদক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় র্যাবের দুই সদস্য আহত হয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন, ৫ রাউন্ড গুলি, ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও ১০৪২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আফজালের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
যশোর
যশোরের চৌগাছায় রতন (২৭) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ বলেছে, দুই দল সন্ত্রাসীর গোলাগুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে চৌগাছা-যশোর সড়কের কয়ারপাড়া এলাকা থেকে রতনের লাশ উদ্ধারের সময় সেখানে অস্ত্র ও মাদক পাওয়া গেছে বলে চৌগাছা থানার ওসি খোন্দকার শামিম উদ্দিন বলেছেন। নিহত রতন উপজেলার দীঘলসিংগা গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে। পরিবার বলছে, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে রতনের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না তারা।
রতনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কিনা- তা জানাতে পারেননি চৌগাছা থানার ওসি।
তিনি বলেন, গভীর রাতে কয়ারপাড়া এলাকায় ‘সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলির’ খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে একজনের গুলিবিদ্ধ লাশ, একটি ওয়ান শুটারগান, এক রাউন্ড গুলি ও এক প্যাকেট ইয়াবা পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে পুলিশ লাশটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বলে জানান ওসি।







