টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এক ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তারা হলেন উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মৃত এরশাদের ছেলে শফিকুল ইসলাম শফিক, একই গ্রামের ছোবাহানের ছেলে ইকবাল হোসেন, রশিদের ছেলে মিলন, দক্ষিণ গোপাপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে কবির, বড়মা গ্রামের আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে তানভীর হাসান, কাজিবাড়ী গ্রামের মজিদের ছেলে লাভলু, কোনাবাড়ির মৃত আকবর হোসেনের ছেলে রিপন, দক্ষিণ গোপালপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে জুয়েল, নন্দনপুর গ্রামের মৃত নান্নুর ছেলে বাবু।
বৃহস্পতিবার উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের পলশিয়া মধ্যপাড়া আব্দুল হালিমের ছেলে জুয়েল রানা বাদী হয়ে গোপালপুর আমলি আদালতে এ অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে জুয়েল নিজেকে ওই ইউনিয়নের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলে দাবি করেছেন।
পরে আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামছুল হক ২৪ সেপ্টেম্বর বাদীর আইনজীবীকে কাগজপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন।
বাদীর আইনজীবী জাহাঙ্গীর মামলার বিবরণের বরাত দিয়ে বলেন, হাদিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুয়েল রানা গত ১৫ সেপ্টেম্বর নগদা সিমলা বাজারে কর্মীদেরকে নিয়ে জনসভার আয়োজনের প্রস্তুতি সভা করছিলেন। এ সময় গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান শফিকসহ ৭-৮ জন মোটরসাইকেল যোগে এসে অতর্কিতভাবে জুয়েল রানার উপর আক্রমণ করে। এসময় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীর ও মাথায় আঘাত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আজ তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে টাঙ্গাইল-২ আসনের সাংসদকে হুকুম ও পরিকল্পনার আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন।
‘পরে বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে অন্য কারো আইনজীবীর সামনেই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গোপালপুর থানাকে এফ আই আর করার নির্দেশ দিলেও পরবর্তীতে বিকেলে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আমাকে অভিযোগের মূল কাগজপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন’, বলেন আইনজীবী জাহাঙ্গীর।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) এস আকবর খান বলেন, অভিযোগে দাখিলকৃত কাগজপত্র অস্পষ্ট ও পাঠযোগ্য না হওয়ায় আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর কাগজপত্র দাখিল এবং আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।








