ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার কৈরইতলায় রোববার গভীর রাতে র্যাবের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার প্রধান আসামী কামাল শেখ নামে এক যুবক (৩০) নিহত হয়েছেন। এ সময় মিলন সাহা নামে এক র্যাব সদস্য আহত হয়েছে বলে র্যাবের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
র্যাব ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি ৭.৫ পিস্তল, একটি গুলি, গুলির খোসা ও ম্যাগজিন উদ্ধার করে। নিহত কামাল শেখ যশোর খাজুরা এলাকার বাবুল শেখের ছেলে এবং কালীগঞ্জের ফরাশপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের জামাতা।
গত ২০ অক্টোবর ফরাশপুর গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে নজরুলের স্ত্রী তাছলিমা খাতুন (৪০) ও মেয়ে তাছমিয়াকে (১) হত্যা করা হয়। এ মামলায় প্রধান আসামি ছিলেন কামাল।
ঝিনাইদহ র্যাব-৬ এর মেজর মো. সুরুজ মিয়া জানান, রাত দেড়টার দিকে ঝিনাইদহ-যশোর সড়কে কৈরইতলায় র্যাবের সদস্যরা টহল দিচ্ছিল। এ সময় মোটরসাইকেলে ৩ আরোহী সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। তাদেরকে থামতে র্যাব সদস্যরা সিগন্যাল দিলে তারা প্রথমে র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে।
র্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে মোটরসাইকেলের পেছনের আরোহী গুলিবিদ্ধ হন। তবে অপর দুই আরোহী পালিয়ে যান। গুলিবিদ্ধ কামালকে কালীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
র্যাব আরো জানায়, কামাল তাঁর স্ত্রী ঊর্মির ওপর প্রতিশোধ নিতে শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও শ্যালিকার গায়ে জানালা দিয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ ঘটনায় কামালের শ্বশুর নজরুল এখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।







