বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৩০ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান। মাত্র ২৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারানো পাকিস্তান সরফরাজ খানের অপরাজিত ৫৭ রানের ওপর ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি পায়। এই ম্যাচে জয়লাভ করলে এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান।
মাত্র ৫ রানের ব্যবধানে মুশফিক ও সৌম্য বিদায় নিলে কিছুটা চাপে পড়ে। মুশফিক ও সৌম্য ৪৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। ৪৮ রান করে মোহাম্মদ আমিরের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সৌম্য সরকার এবং মুশফিক ফেরেন শোয়েব মালিকের বলে এলবিডাব্লিউয়ের শিকার হয়ে। তাদের বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন সাকিব আল হাসান এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
সাব্বির রহমানকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি। আফ্রিদির বল এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৪৬। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন সৌম্য সরকার এবং মুশফিকুর রহিম।
স্কোর বোর্ডে ১৩ রান যোগ হতেই ফেরেন তামিম ইকবাল। মোহাম্মদ ইরফানের বলে তিনি এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন।
পাকিস্তানের ইনিংসে ব্যাটিং লাইনআপকে চেপে ধরে টাইগার দুই পেসার তাসকিন আহমেদ এবং আল-আমিন হোসেন। তাসকিনের প্রথম ওভার থেকে আসে মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় ওভারের বল করতে এসে প্রথম বলেই খুররম মঞ্জুরকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন আল আমিন। উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন খুররম।
এরপর একে একে বিদায় নেন সারজিল, হাফিজ এবং উমর। স্কোর বোর্ডে রান তখন ২৮।
সারজিল খানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন আরাফাত সানি। চতুর্থ ওভারে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। পঞ্চম ওভারে মাশরাফি বলে মোহাম্মদ হাফিজ এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়লে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান।
নবম ওভারে দলীয় মাত্র ২৮ রানে উমর আকমলও ফিরে গেলে চূড়ান্ত চাপে পড়ে পাক ব্যাটিং লাইনআপ। তাসকিনের বলে সীমানার কাছে সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এরপরই শোয়েব-সরফরাজ জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেয় পাকিস্তান। দলীয় ৯৮ রানে সরফরাজের সঙ্গে ৭৮ রানের জুটি গড়ে ফেরেন শোয়েব মালিক। ব্যাক্তিগত ৪১ রানে তিনি আরাফাত সানির বলে সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।
মালিকের বিদায়ে শহীদ আফ্রিদি ক্রিজে এলেও থিতু হওয়ার আগেই তাকে প্যাভিলিয়নের পথ ধরান আল আমিন হোসেন। পাকিস্তানের রানের চাকা আবার থমকে যায়। তবে শেষ দিকে সরফরাজ-আনোয়ার আলীর ১৫ বলে ঝড়ো ২৫ রানের জুটিতে ১২৯ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন আল আমিন হোসেন।






