আগের দিনই ১৮৯ করে হার দেখতে হয়েছে রাজশাহী রয়্যালসকে। চট্টগ্রাম পর্বে এসে বদলে যাওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলে বুধবার ১৮১ করেও ভাগ্য বদলাতে পারল না ইনসেপ্টা রংপুর রেঞ্জার্স। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মোহাম্মদ নবির দলকে পরাজয়ের বৃত্তে রেখে ২ বল আগেই ৬ উইকেটে জয় তুলেছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নিজেদের ভাগ্য বদলানোর ইঙ্গিতই দিয়েছিল প্রথম দুই ম্যাচেও জয়হীন রংপুর। ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদের আগ্রাসী ২৭ বলে ৬১ রানের ইনিংসে রেঞ্জার্সরা সুখবরের মঞ্চ গড়েছিল।
৭ চার ও ৪ ছক্কায় তাণ্ডব চালিয়েছেন শাহজাদ। পরে টম অ্যাবেল, অধিনায়ক নবি ও লুইস গ্রেগরির বিশ পেরোনো তিনটি ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮১ রান পায় রংপুর।
প্রতিপক্ষের বিদেশিদের ইনিংসের জবাবে দারুণ খেলেছেন কুমিল্লার দেশি ব্যাটসম্যানরা। লঙ্কান ওপেনার ভানুকা রাজাপাক্সার সঙ্গে ওভার প্রতি ১০ রান করে তুলে স্কোরবোর্ডে ৬১ এনে জয়ের ভিত গড়ে দেন সৌম্য সরকার। ৫ চার ও এক ছক্কায় ৩৪ বলে ৪১ করেছেন ফিরেছেন এ বাঁহাতি। অন্যদিকে ১৬ বলে ৩২ করে আউট হন রাজাপাক্সা।
দুই ওপেনার ফেরার পর কুমিল্লাকে জেতানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সাব্বির রহমান ও ডেভিড মালান। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ বলের ইনিংসে সাব্বির এক রানের জন্য হাতছাড়া করেন এবারের আসরে নিজের প্রথম ফিফটি।
মালান অবশ্য দলকে জিতিয়েই ফিরেছেন, ২৪ বলে ইংলিশ ব্যাটসম্যানের রান ৪২। ২ চারের সঙ্গে ছক্কার মার ছিল ৩টি।
যথারীতি এ ম্যাচে বেধড়ক মার খেয়েছেন রংপুরের বোলাররা। সবচেয়ে রান খরচ করেছেন লুইস গ্রেগরি, চার ওভারে কোনো উইকেট না নিয়ে দিয়েছেন ৫৫ রান। কম যাননি মোস্তাফিজুর রহমানও। সাব্বিরের উইকেটটি পেলেও বাঁহাতি পেসার রান বিলিয়েছেন ৩৫টি। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে ১১ রান দিয়ে কুমিল্লার জয়ের রাস্তায় বাধা হতে পারেননি নিজেকে হারিয়ে খুঁজতে থাকা এ বাঁহাতি।






