মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দ্বৈত কবিতা আবৃত্তিকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন ‘দাহনকাল’।
শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসবের উদ্যোগে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কবিদের বিভিন্ন দ্বৈত কবিতা আবৃত্তি করেন শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসবের শিল্পীরা। উপস্থাপনা ও আবৃত্তিতে ছিলেন অদ্বিতীয়া পাল, দেবাশীষ দাস, খাদিজা আক্তার রিয়া ও আনিকা হোসেন।
এদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হঠাৎ দেখা, দুই পাখি, শুভ দাশগুপ্তের প্রেম, নির্মলেন্দু গুণের ক্ষেতমজুরের কাব্য, কাজী নজরুল ইসলামের অভিশাপ, রুদ্র গোস্বামী, জায়িদ হোসেন তানু, সাদাত হোসাইনসহ বিভিন্ন কবির রচনা পরিবেশিত হয়।
দ্বৈত আবৃত্তিতে অংশ নেন দেবাশ্রিতা ভট্টাচার্য, মৌনতা দেবনাথ, অন্বেষা ধর, রাজশ্রী হালদার রাজন্যা, শ্রেয়সী পাল, কাজী মাহদী ইসলাম, স্পর্শিয়া বৈদ্য, শ্রেষ্ঠা গোস্বামী, প্রিয়ন্তী দেবনাথ, দিব্যশ্রী ভট্টাচার্য, দেবার্ঘ্য ভট্টাচার্য, রত্নদ্বীপ রায়, মৃত্তিকা ধর, আদিলা হোসেন, আদিবা হোসেন, সৃষ্টি গাইন, পূর্ণশ্রী কর পুরকায়স্থ, আদৃতা দেব, সিয়াম খন্দকার, রাইয়ান জামাল, শিশির চন্দ্র দাস, অভিমন্যু পাল অরিত্র, অনন্তশ্রেষ্ঠা শীল, অরিত্রিকা রায় চৌধুরীসহ আরও অনেক আবৃত্তিশিল্পী।
আয়োজকরা জানান, শ্রীমঙ্গলে দ্বৈত কবিতা আবৃত্তিকে কেন্দ্র করে এটিই ছিল প্রথম আয়োজন। শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে ১৪৩২ সালের শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসবের বিভিন্ন বিভাগের সেরাদের মধ্য থেকে ফেসবুক পেজে আয়োজিত ‘সেরা আবৃত্তি’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী ছয়জনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য লিটন, উজ্জ্বল কুমার দাস এবং আবৃত্তিশিল্পী জলি পাল।
উল্লেখ্য, সিলেট বিভাগের একমাত্র নিয়মিত আবৃত্তি উৎসব হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসব প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আয়োজকদের ভাষ্য, শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিচর্চার প্রসারে তাদের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।







