পাঁচটির পাঁচটিতেই তামিম ইকবাল— টেস্টে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটির সর্বোচ্চ রান এনে দেয়ার তালিকায় প্রথম পাঁচের সবকটিতেই আছেন ড্যাশিং ওপেনার। চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাহমুদুল হাসান জয়কে নিয়ে মঙ্গলবার গড়েছেন ওপেনিংয়ে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড।
সাগরিকায় লঙ্কানদের বিপক্ষে দ্বিতীয় দিনে অবিচ্ছিন্ন থেকে শেষ করেছিলেন তামিম-জয়। পরের দিন দলীয় ৭৬ রানের সঙ্গে দুজনে যোগ করেছেন আরও ৮৬ রান। জয় ৫৮ রানে আশিথা ফার্নান্দোর শিকার হলে ভাঙে ১৬২ রানের জুটি। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে যেটি ওপেনিংয়ে চতুর্থ সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড।
টাইগারদের উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রান এসেছিল ২০১৫ সালে। তামিম-ইমরুলের ৩১২ রানের জুটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে হার এড়ায় বাংলাদেশ। বাইশ বছরের টেস্ট ইতিহাসে সেটি টাইগারদের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি। যেকোনো উইকেট জুটিতে যা ২৫তম সেরা জুটি।
উদ্বোধনীতে সর্বোচ্চ রানের জুটির পরের তিনটি অবস্থানেও তামিমের সঙ্গী ছিলেন ইমরুল কায়েস। ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২২৪ রান করেছিলেন দুজনে। ২০১০ সালে দুজনের ব্যাট থেকে জুটিতে এসেছিল ১৮৫ রান। তালিকায় পঞ্চম স্থানে আছে ২০০৮ সালে জুনায়েদ সিদ্দিকির সঙ্গে তামিমের তোলা ১৬১ রান। এবার এক রান বেশি করে সেই জুটিকে সেরা পাঁচে ঠেলে দিয়েছেন তামিম-জয়।
টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ জুটিটি পঞ্চম উইকেটে, ৩৫৯ রানের। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম গড়েছিলেন জুটিটি। দুইয়ে তামিম-ইমরুলের ৩১২ রান।
চট্টগ্রাম টেস্টে চতুর্থ সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়ে জয় ফিরলেও ক্যারিয়ারের দশম শতক তুলে অপরাজিত আছেন তামিম। তৃতীয় দিনে লাঞ্চের পর ১৩৩ রান পর্যন্ত যেয়ে পেশিতে টান অনুভব করায় রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
লঙ্কানদের ৩৯৭ রানের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে ভালোই জবাব দিচ্ছে টাইগার দল। ৩ উইকেট হারালেও ২৩০ রান তুলে ফেলেছেন মুশফিক-লিটনরা।







