রাজধানীর শাজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজ ছাত্রী সামিয়া প্রীতি হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মাসুম মোহাম্মদ আকাশের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ সোমবার তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে ১৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার সকালে ‘মূল ঘাতক’ হিসেবে আকাশকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ‘মূল ঘাতক’ মাসুম মোহাম্মদ আকাশ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন বলে জানায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার জানান, সে কিলিং মিশনে ছিল। আসামী নিজেই শিকার করেছে। আসামী বর্ডার দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। তার পূর্ববর্তী পরবর্তী আচরণ, তাৎক্ষণিক কার্যক্রম, পালানোর সময় তার কর্মকাণ্ড, সিসিটিভি এবং তার মোটরসাইকেলের ব্যবহারসহ সব কিছু মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েই তাকে গ্রেপ্তার করেছি।
গত ২৪ মার্চ রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুরের আমতলা এলাকায় দুর্বৃত্তের এলোপাতাড়ি ছোড়া গুলিতে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি নিহত হন।
রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে খিলগাঁও রেলগেটের সিগনালের জন্য জাহিদুল ইসলাম টিপুর গাড়িটি রেলগেটের কাছাকাছি বাটার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তের এলাপাতাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ টিপুকে প্রথমে শাহজাহানপুর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোলাগুলির ঘটনার সময়ে পাশ দিয়ে যাওয়া রিকশা আরোহী কলেজ ছাত্রী প্রীতি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।









