ল’ গ্র্যাজুয়েট ও নিউজিল্যান্ড হাইকোর্টের প্র্যাকটিশনার জুম্মান সিদ্দিকীকে আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে জুম্মান সিদ্দিকীকে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির গেজেটটি কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
আলোচিত ওই গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
বুধবার আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। জুম্মান সিদ্দিকীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও বার কাউন্সিলের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ ওয়াই মসিউজ্জামান।
শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন: ‘বর্তমানে একজন আইনজীবী হতে হলে প্রথমে এমসিকিউ এরপর লিখিত এরপর ভাইভা পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে কোনো ধরনের পরীক্ষা না দিয়েই আইনজীবী হিসেবে সরাসরি হাইকোর্টে প্রাকটিসের অনুমতি দেয়াটা বৈষম্যমূলক।’
এর আগে হাইকোর্টের বিচারপতির ছেলে জুম্মান সিদ্দিকীকে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে ৩১ অক্টোবর একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। এরপর সে গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জুম্মান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।
তবে রিটটি শুনতে একে একে হাইকোর্টের চারটি বেঞ্চ অপরাগতা প্রকাশ করেন। অবশেষে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটিটি শুনে রুলসহ আদেশ দিলেন।







