প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আদালতে ৮৮ জনকে দেয়া দণ্ড-চাকরিচ্যুতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
এসংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। আদালত তার রুলে ১৯৭৭ সালের মার্শাল ল’ রেগুলেশনে গঠিত ট্রাইব্যুনালে দোষী সাব্যস্ত করা ও দণ্ডকে অবৈধ ঘোষণা করে আবেদনকারীদের দেশপ্রেমিক হিসাবে বিবেচনার নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না এবং তারা নিয়মিত অবসরে গেলে বেতনসহ যে সব সুবিধা এবং পেনশনের অর্থ পেতেন, তা প্রদানে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিতে এদের পরিবারের সদস্যদের সার্ভিস অব ওয়ার্ড প্রদানে কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিরক্ষা সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আজ আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মতিউর রহমান।
এর আগে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল এসংক্রান্ত রিটটি করেন জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট সাইদুর রহমানের ছেলে মো. কামরুজ্জামান মিঞা লেলিন এবং দণ্ডিত, চাকুরিচ্যুত তৎকালীন সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যসহ ৮৮ জন। সে ৮৮ জনের মধ্যে ১৩ জন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত, ৩৩ জন যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত এবং ৪২ জন চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন।







