জিমেইল (gmail.com) বেশ শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় একটি ইমেইল সার্ভিস। কিন্তু তারপরও আপনি জিমেইল ল্যাব থেকে আরোও নতুন কিছু ফিচার খুঁজে নিতে পারেন। এতে থাকা ফিচারের সংখ্যা আসলে অসংখ্য। কয়েকটি জনপ্রিয় ফিচার আপনাদের জন্য বলে দিচ্ছি যা অ্যাক্টিভেট করে আপনিও এই সুবিধাগুলো নিতে পারেন।
পাঠানো ইমেইল ফিরিয়ে আনা:
মনে করুন আপনি বেশ রাগ নিয়ে প্রায় আধঘণ্টা সময় ব্যয় করে কাউকে শিক্ষা দেবার জন্য একটি ইমেইল লিখলেন। সেটা তাকে সেন্ড করার পর মনে হলো ধুর! এটা মনে হয় ঠিক হলো না। তখন কি করবেন? হ্যা, এখানে আপনাকে উদ্ধারের জন্য আছে জিমেইল ল্যাবের ‘আন্ডু সেন্ড (Undo send)’ ফিচার।
ই-মেইলটি সেন্ড করার পর পূর্ব-নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জিমেইল অপেক্ষা করবে। আপনি আপনার জিমেইল ল্যাবে গিয়ে এই বিষয়টি আগেই সেট করে রাখবেন। এরপর সেন্ড করার পর আপনার মনে হলে সেটা আন্ডু (Undo) করে দিতে পারেন।
কি-বোর্ড সুবিধামতো শর্টকার্ট:
কি-বোর্ড শর্টকাট ব্যবহারে আমরা সবাই বেশ পছন্দ করি। এটা নতুন কিছু নয়। তবে জিমেইল ল্যাবের এই ফিচারটি আপনোকে সুযোগ দিচ্ছে নিজের মত করে শর্টকাট তৈরি করে নেবার। অপশনটি পাবেন জিমেইলের সেটিংস পেজে।
যে মেইল পাঠিয়েছে তার লোকেশন দেখার সুবিধা:
জিমেইলের বেশ কিছু ল্যাব আছে যা আপনাকে ভিডিও, ডকুমেন্ট, ভয়েসমেইল এবং ছবিসহ ইমেইলগুলোকে প্রিভিউ করে দেখায় যদি সেগুলো কিছু নির্দিষ্ট সার্ভিস থেকে পাঠানো হয়। যেমন যদি আপনার কোনো কনটাক্ট আপনাকে তার পুরো পরিচয়সহ ইমেইল পাঠায় তাহলে গুগল ম্যাপের প্রিভিউ ল্যাব তার লোকেশনসহ মেইলটি প্রিভিউয়ে দেখাবে।
ইমেইলের পাশাপাশি অন্যান্য অ্যাপ ব্যবহার:
আপনি যদি গুগল ডকস অথবা গুগল সাইটস ব্যবহার করেন জিমেইল ল্যাবের অ্যাপ সার্চ অপশনটি আপনার দারুন কাজে আসবে। কারণ জিমেইলের সন্ধান ক্ষমতা আরো বাড়িয়ে দেয় এই অ্যাপ সার্চ ফিচারটি। আপনি যখন জি-মেইলের মাধ্যমে কোনো কিছু সন্ধান করবেন তখন গুগল ডকস এবং গুগল সাইটসের সব রিলেটেড অপশনগুলো শো করবে। ফলে শুধু জি-মেইলের মাধ্যমেই আপনি গুগল সম্পর্কিত সব কাজ একসঙ্গে করতে পারছেন।







