শিরোনাম দেখে ভিন্ন কিছু ভেবে শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসরে সিলেট সুপারস্টার্সের যাত্রা এবং পরাজয়ের ধরন দেখে এমন মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ১, ১ এবং ৬ রান, সংখ্যাগুলো এখন পর্যন্ত সিলেটের তিনটি ম্যাচে পরাজয়ের ব্যবধান। জয়ের কাছে গিয়ে খেই হারানোই যেনো মুশফিকুর রহমানের দলটির নিয়তি।
শুরুটা হয়েছিলো ২৩ নভেম্বর চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে আসরের তৃতীয় এবং তাদের প্রথম ম্যাচে। তামিম ইকবাল ও ইয়াসির আলির অর্ধশতকের সুবাদে ১৮০ রানের বড় স্কোর করা চিটাগংকে ভালোই জবাব দিচ্ছিলো দিশশান-মুশফিকরা। এ দুজনেরই অর্ধশতকের পরও নির্ধারিত ২০ ওভার খেলা শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রানে থেমে যায় সিলেট।
পরের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটিতেও দুঃখ সেই এক রানের। বরিশাল বুলসে্র করা মাত্র ১০৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও দিশেহারা হয়ে পড়ে সিলেট। বাংলাদেশের অনুর্ধ্ব-২৩ দলের স্পিনার নাজমুল ইসলাম তিন উইকেট প্রাপ্তির দিনটিকে বিষিয়ে দিয়েছিলো ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা। ২০ ওভার শেষে নয় উইকেট হারিয়ে সিলেটের সংগ্রহ দাড়ায় ১০৭ রান। দিলশানের ৩৬ রানের পরের সর্বোচ্চ স্কোরটি ১৬ রানের। যা করেন ঘূর্ণি জালে বরিশালকে ছোট স্কোরেই আটকানো নাজমুল।
আর রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচটিতে সাকিবের অলরাউন্ডার নৈপুন্যে হারে মুশফিক বাহিনী। সাকিবের ৩৩ রান ও তিন উইকেট লাভের দিনে ৬ রানের পরাজয় বরণ করে নিতে হয় সিলেট সুপার স্টার্সকে। মাত্র ১১০ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১০৩ রানেই অলআউট সিলেট।
এমন পরাজয়ের জন্য ভাগ্যকেও দোষ দিতে পারে সিলেট সুপারস্টার্স। তবে বোলারদের সাফল্যের পর ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ে পরিবর্তন না আনলে এমন দুর্ভাগ্য আরো আসতে পারে বলে ধারণা করা যেতেই পারে।







