ক্যান্সারে আক্রান্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী অর্কের চিকিৎসার জন্য ভারতে পাঠানোর কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
এরই মধ্যে অর্কের পাসপোর্ট ও ভিসা করা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২৯ অক্টোবরে দ্বিতীয় কেমো দেওয়ার পর একটু সুস্থ হলেই অর্ককে ভারতে পাঠানো হবে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান অর্কের বিভাগের সিনিয়র ভাই আব্দুল জলিল।
অর্কের আপন কোন বড় ভাই না থাকায় গত কয়েকদিন যাবৎ চিকিৎসাধীন অর্কের দেখভালের দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুল জলিল।
অর্কের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, গত ১১ অক্টোবরে অর্ককে প্রথম কেমো দেওয়ার পর এখন সে শারীরিকভাবে কিছুটা দুর্বল। দুর্বলতা কাটিয়ে উঠলে আগামী ২৮ অথবা ১৯ অক্টোবরে দ্বিতীয় কেমো দেয়ার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কেমো দেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে অর্ককে ভারতে পাঠানো হবে।
অর্কের মা চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, আমার অর্কের চিকিৎসার জন্য আপনারা যারা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, সবার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অর্কের সুস্থতার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে সকলকে প্রার্থনা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
অর্কের সহপাঠীরা জানান, অর্কের চিকিৎসার জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল, তা যোগাড় হয়ে যাওয়ায় গত বুধবার অর্কের জন্য আর্থিক সহায়তা তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাদের সহপাঠীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা করার আহবান জানাচ্ছেন এখন তারা।
চিকিৎসকের পরামর্শ মতে, অর্ককে প্রথম ৬টি সাইকেলে ১২টি কেমো দেওয়া হবে। পরবর্তীতে চিকিৎসকরা আবার সিদ্ধান্ত নেবেন যে আর কোনো কেমো দেওয়া হবে কিনা।
বর্তমানে অর্ক রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালের ধানমন্ডি শাখায় হেমাটোলজি বিভাগের প্রফেসর ডা. এম এ খানের চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসার সুবিধার জন্যেই হাসপাতালটির পাশে অর্কের মা ও এক আত্মীয় একটি বাসা ভাড়া করে থাকছেন।







