জঙ্গিবিরোধী জাতীয় ঐক্য কিংবা ২০ দলীয় জোট সম্প্রসারণ হচ্ছে না জামায়াতে ইসলামীর কারণে। জোট নেতা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে অন্য রাজনৈতিক দলের নেতারা একথা জানিয়েছেন। জোট নেতারা বলছেন, জামায়াতকে নিয়ে সরকারই কৌশল রাজনীতি করছে।
হলি আর্টিজানে হমালার পরই জঙ্গিবাদ দমনে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। এ লক্ষ্যে ২০ দলীয় জোটের বাইরের রাজনৈতিকদলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করেন তিনি। তার সঙ্গে দেখা করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ চেয়ারম্যান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী।
তবে জাতীয় ঐক্য কিংবা জোটে আসার ব্যাপারে অনীহার কথা জানান তিনি। কাদের সিদ্দিকী বলেন, জাতির স্বার্থের প্রশ্নে তার সঙ্গে আমার তেমন কোনো মতের অমিল নেই। কিন্তু আমি জামায়াতের সঙ্গে রাজনীতি করবো না।
জামায়াতের ব্যাপারে বিএনপি সরাসরি কিছু বলতে চায় না। তবে জামাত নিয়ে জোটে কোনও টানাপোড়েন নেই বলে মনে করেন জোটের শরীক এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ।
তিনি বলেন, সরকার বারবার বলছে জামায়াতের রাজনীতি বন্ধ করা হবে। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। তারা চাচ্ছে বিএনপির কাঁধের বন্দুক রেখে গুলিটা মারার জন্য।
একই প্রসঙ্গে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ২০ দলীয় জোট এ ব্যাপারে কিছুই ভাবছে না, ২০ দলীয় জোট ভাবছে সরকার যেমন খেলছে, প্রয়োজন হলে ২০ দলীয় জোট খেলুক। সরকারের কাছে থেকে জামায়াত নিষিদ্ধ কোনো আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। সরকার নিষিদ্ধ করছে না কিন্তু আরেকজনকে বলবে ছেড়ে দেন এটা খেলা না তো কি? এটা আসলে সরকারের ছলনা ও কৌশল।
এ ইস্যুতে অন্য কোনও রাজনৈতিক দল জোটের সঙ্গে না আসলেও তারা চিন্তিত নন জানিয়ে মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, এমন দল আছেন যারা গত ১০-১২ বছরে দশ বারো রকমের জোট করেছে ওই দলের সঙ্গেহ না গেলেই বা কি।
এ বিষয়ে কর্নেল অলি বলেন, তারা তিনবছর আগে যে শর্ত দিয়েছে এখনও তারা একই শর্ত দিচ্ছে বরং তাদের শর্ত দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তবে আগামী নির্বাচন কিংবা যে কোনও ইস্যুতেই ২০ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জোট নেতারা।









