জোটের শরিক হলেও জামায়াতকে বাইরে রেখে আগামী নির্বাচনে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বিএনপি। দলটির নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র উদ্ধারে জামায়াতসহ অনেক রাজনৈতিক দল সহযোগী হলেও ভোটের মাঠে জামায়াতকে জোটে প্রয়োজন হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সময়মতো নেওয়া হবে।
এই সময়ের জাতীয় রাজনীতির প্রধান বিষয় নির্বাচন কমিশন হলেও আগামীর রাজনীতি জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তার আগে দলগুলোর ভেতরে এখন চলছে নির্বাচনী মিত্র নিয়ে হিসাব-নিকাশ। বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের দ্বিতীয় প্রধান শক্তি জামায়াতে ইসলামী যুদ্ধাপরাধীদের দল হিসেবে নিবন্ধন হারাবার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে সর্বশেষ হারিয়েছে নির্বাচনী প্রতীক।
২০১১’র পর থেকে মগবাজারে জামায়াতের প্রধান কার্যালয় একরকম জনশূন্য। পাহারাদার ছাড়া কারো যাতায়াত নেই বলে জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
সব মিলিয়ে এরকম পরিস্থিতিতে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির ভবিষ্যতের নির্বাচনী সর্ম্পক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? ভোটের মাঠে ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে জামায়াতকে বিএনপি নিজের ছায়াতলে রাখবে কিনা এমন প্রশ্নও আছে। কিছু ইঙ্গিত দিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এ সদস্য।
তবে আগামী নির্বাচন কমিশন জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে না হলে সরকারকে মূল্য দিতে হবে বলেও সর্তক করে দিয়েছে বিএনপি।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথাও বলছেন, জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন না হলে ৫ বছর পরপর বির্তক চলতেই থাকবে।








