প্রজাপতি সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও গবেষণার লক্ষ্য নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হচ্ছে প্রজাপতি পার্ক ও গবেষণা কেন্দ্র। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হচ্ছে। উদ্ভিদের টিকে থাকার জন্য প্রজাপতি রক্ষা যে গুরত্বপূর্ণ সেই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতেও কাজ করবে যৌথ এ উদ্যোগ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝোপঝাড়ে যেনো প্রজাপতির অভয়ারণ্য। রোদের তাপের শক্তি সঞ্চয়ের জন্য ব্যস্ততারও যেনো শেষ নেই নানা রঙের বাহারি প্রজাপতিদের।
প্রকৃতির জন্য অতি গুরত্বপূর্ণ এই পতঙ্গকে টিকিয়ে রাখতে ২০১০ সাল থেকে যৌথভাবে কাজ শুরু করছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন। এবার যৌথ উদ্যোগে কাজ শুরু হয়েছে প্রজাপতি পার্ক ও গবেষণা কেন্দ্রের।
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মনোয়ার হোসেন বলেন, এই পার্ক করার মাধ্যমে যে প্রজাপতিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে বা প্রজাপতির জন্য যে গাছগুলো হারিয়ে যাচ্ছে সেগুলো আমরা কিছুটা হলেও ফিরিয়ে দিতে পারবো।
‘এছাড়াও স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এখানে আসলে প্রকৃতিকে চিনবে। বিভিন্ন গাছ চিনবে কোন গাছে কোন প্রজাপতি ডিম পারে সেটি দেখবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সম্পর্কে শিখবে ও সচেতন হবে।’
শিক্ষার্থী আর সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রজাপতির উপকারিতা বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি প্রজাপতি রক্ষায় নানান গবেষণা চলবে এ কেন্দ্রে।
প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুদার বাবু বলেন, প্রজাপতির পরাগায়ণের জন্য এতো উদ্ভিদ ও ফুল অামরা দেখতে পাচ্ছি। তাই প্রজাপতি রক্ষার্থে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জীবন ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। এবং প্রজাপতির ব্যাপারে যে সচেতনা দরকার এ উদ্যোগে আমরা এটা বাড়াতে পারবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু। সেসময় মতবিনিময়ে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডক্টর আবুল খায়ের, রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিকসহ অন্যরা।
উপাচার্য আশা করেন, এই উদ্যোগ প্রকৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে।
আগামী ডিসেম্বর মাসে প্রজাপতি পার্ক ও গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হবে।







