আমার সামনে এখন যে মেয়েটি বসে আছে সে ২০০৭ সালে এইচএসসি পাস করেছিলো। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি কলেজে সে লেখাপড়া করেছে। চলতি সপ্তাহে মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হয়েছে তার। মেয়েটির সঙ্গে এইচএসসি পাস করে যারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছিলো, তারা চার বছর আগে লেখাপড়া শেষ করে চাকরি-বাকরি শুরু করে একটা অবস্থানে চলে এসেছে।
এবার আমার পরিবারের দু’জন সদস্যের কথা বলি। ২০১১ সালে তারা এইচএসসি পাস করেছিলো। তাদের একজনের বাবা কষ্টেসৃষ্টে সন্তানকে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে তিনমাস হলো মোটামুটি ভালো বেতনে একটা বিদেশী কোম্পানিতে চাকরি করছে সে। অন্যজনের বাবা অতোটা কষ্টে-সৃষ্টে না গিয়ে সন্তানকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি কলেজে অনার্সে ভর্তি করেছিলো। সে এবার মাত্র সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল দিলো।
যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে তার বাবাকে লাখ আটেক টাকা খরচ করতে হয়েছে। বিপরীতে যে সরকারি কলেজে পড়ছে তার জন্য খরচ খুব সামান্য, সে অর্থে তেমন কোনো বিনিয়োগ নেই। কিন্তু সে মাস্টার্স না করে শুধু অনার্স পাশ করে একটা ভদ্রোচিত চাকরি পেতে পেতে যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে সে কমপক্ষে তিন বছর চাকরি করে ফেলবে। যদি তিন বছর তার বেতন এক পয়সাও না বাড়ে, এখনকার বেতনই থাকে; তাহলেও সে এই সময়ে আয় করবে ৯ লাখ টাকা। মানে তার জন্য করা বাবার বিনিয়োগ কিন্তু ফিরে আসলো।
আর যে সরকারি কলেজে পড়লো, তার জন্য ওই অর্থে তেমন বিনিয়োগ না থাকলেও সে যখন কর্মজীবন শুরু করবে তখন সে যে স্টার্টিং বেতনে চাকরি শুরু করবে তখন যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে সে তার চেয়ে দ্বিগুণ আয়ে চলে যাবে। সামর্থ্য থাকলে প্রাথমিক বিনিয়োগটা তাই শেষ পর্যন্ত সুদে-আসলে শুধু উঠেই আসছে না, অন্ততঃ আয়ের দিক থেকে ওই বিনিয়োগটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যলয়ে পড়ুয়াকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি-বেসরকারি কলেজে পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের চেয়ে অনেক এগিয়ে রাখছে।
অর্থাৎ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একজনকে তার ‘জীবনবিনাশী’ সেশনজটের কারণে সারাজীবনের জন্য পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। খুব ব্যতিক্রমী মেধাবী ছাড়া সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে এরকম পিছিয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা সরকারি-বেসরকারি কলেজে পড়া আমাদের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েই গড়পরতা মানুষ। সব দেশের জন্যই তাই। এ কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেমেয়েদের কেউ কেউ এক ধরণের ‘বর্ণবাদী-সাম্প্রদায়িক’ টাইপ মনোভাবের কারণে যতোই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ‘অচ্ছুৎ’ মনে করুক না কেনো সাধারণ মেধার পার্থক্য আসলে ঊনিশ-বিশ।
সেই ঊনিশ-বিশের পার্থক্যের কারণে একটা অংশ যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, একটা অংশ সেখানে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে। যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তাদের বেশিরভাগের যেমন একটাই লক্ষ্য ‘জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া’, তেমনই যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তারও লক্ষ্য সেটাই। দিনশেষে বেশিরভাগেরই লক্ষ্য এক: একটি সম্মানজনক চাকরি। কে না জানে যে বাংলাদেশের বাস্তবতায় সকল মা-বাবারও সেটাই চাওয়া: তার সন্তান যেনো কম সময়ের মধ্যে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই চাওয়া, এই লক্ষ্য, এই স্বপ্নের মধ্যে কোনো ভুল অবশ্য নেই।
সন্তানকে কম সময়ে প্রতিষ্ঠিত করতে তাই জমি-জিরেত বিক্রি করে, গহনা বন্ধক রেখে, ধার-কর্জ করে, বড়লোক আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে অনেক বাবা-মা তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পাওয়া ছেলেমেয়েদেরকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আট বছর ধরে ছেলে-মেয়েকে পোষার চেয়ে চার বছরে সন্তানের জন্য ৭/৮ লাখ টাকা খরচ করে দ্রুত সন্তানকে উপার্জনক্ষম করে তোলার চিন্তা ভুল হতে পারে না।
যাদের পূর্ণ সামর্থ্য আছে তাদের কথা ভিন্ন। কিন্তু সামর্থ্য না থাকার পরও যে সন্তানকে এভাবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে এর এক বড় কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট। সেখানে যদি সন্তান চার বছরেই গ্র্যাজুয়েশন করতে পারতো তাহলে অনেকেই হয়তো ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অধিভূক্ত কলেজেই সন্তানকে পড়াতে পাঠাতো। সেটা হচ্ছে না বলেই রমরমা হয়ে উঠেছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্যবসা’।
অনেকে এমনও বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন জট যেনো দূর না হয় সেজন্য সম্ভাব্য সবকিছুই করছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়তো বটেই, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই এটা মানবে না। কিন্তু সেশন জট দূর করার ক্ষেত্রে তাদের সাফল্য কী? আর যদি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোর কোনো ভূমিকা থেকে থাকে তাহলে সেটা নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে? অথবা কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ‘সার্টিফিকেট ব্যবসা’র যে অভিযোগ সেটা বন্ধেই বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?
কিন্তু এখন ছেলেমেয়েরা ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন শুরু করার পর এসব অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে ওই শিক্ষার্থীদের দিকে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে যে ব্যবসার অভিযোগ, সেখানে অনৈতিকতার যে চর্চা; সেটার জন্য সেখানে পড়ুয়া কাউকে দোষ দিয়েতো লাভ হবে না। তারা সেখানে পড়তে গেছে অবশ্যই একটি সার্টিফিকেটের জন্য যেমন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও সবাই সার্টিফিকেটের জন্যই পড়তে যায়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলে তারাও হয়তো সেখানেই পড়তো। ক্ষেত্রবিশেষে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট হয়তো বেসরকারির চেয়ে একটু সম্মানের, কিন্তু এর মানে এই না যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ‘স্ট্যান্ড’ করা ছেলেমেয়েরা পড়ে আর বেসরকারি মানেই ‘লাস্ট বেঞ্চ বয়েস এন্ড গার্লস’।
যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি তাদের বড় একটা অংশই হয়তো কোনো কলেজে পড়তো। কিন্তু সেখানে একেতো পাশ করতে করতে দীর্ঘ সময় লাগে, অন্যদিকে উপযুক্ত বিষয়েরও অভাব। শুধুমাত্র আমাদের আইটি সেক্টরে এখন যে মানবসম্পদ দরকার সেটার কতো অংশ শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব? কলেজগুলো কি ওই বিষয়গুলো পড়ানোর সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চার বছরের মধ্যেই গ্র্যাজুয়েশন নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা দিতে পারছে? আমাদের নীতি-নির্ধারকরাও কি সেটা ভাবছেন?
আবার শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি বলেই যে সবাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে এমনও নয়। এখানেও সেই ‘জব মার্কেট‘। সহজে চাকরি পাওয়া যাবে এমন বিষয়ে পড়ার সুযোগ কলেজগুলোতে কম। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সেই ‘অফার‘ নিয়ে আসছে। ছেলেমেয়েরাও তাই কম সময়ে সার্টিফিকেট পাওয়ার আশার পাশাপাশি ভবিষৎ কর্মক্ষেত্রে চাকরি পেতে সুবিধা হবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সাবজেক্টে পড়ছে। কষ্ট করে হলেও পড়ছে। তাই বাড়তি ভ্যাটে তারা আপত্তি জানাচ্ছে যেমন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সিট ভাড়া কিংবা সেশন ফি কয়েক টাকা বাড়ানো হলেও প্রতিবাদ হয় কারণ অনেক ছেলেমেয়েরই ওই বাড়তি কয়েক টাকা দিতে কষ্ট হওয়ার কথা।
এতোসব কথা বলার কারণ: প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটবিরোধী চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অযৌক্তিভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মুখোমুখি করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে বা পড়েছে এমন কেউ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়া ছেলেমেয়েদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে। কিন্তু তারাও জানে যে আজ যদি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটভাড়া ৫০ টাকা বাড়ানো হয় তাহলে তারাও একইভাবে প্রতিবাদে সামিল হতো।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কী পড়ানো হচ্ছে সেটা নিয়েও প্রশ্ন আছে অনেকের। কিন্তু তারা হয়তো জানে না, তাদের যে শিক্ষকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান তাদের বড় অংশই পড়ান প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাদের যারা সিলেবাস-কারিকুলাম তৈরি করেন তারাই সেটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও করেন। বরং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নেই বলে সেটা খুব দ্রুতই পরিবর্তন-পরিবর্ধনও করতে পারেন। কেউ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি বলেই যে পরে সে উচ্চশিক্ষায় ভালো করতে পারবে না এমনও নয়। নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, স্ট্যান্ড করা ছেলেমেয়েরা সিম্পল সেকেন্ড ক্লাস নিয়ে বের হচ্ছে, এসএসসি-এইচএসসিতে সাধারণ রেজাল্ট করা ছেলেমেয়েরা ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট সেকেন্ড হচ্ছে। এসএসসি-এইচএসসির রেজাল্ট এক জিনিস, উচ্চশিক্ষা ভিন্ন জিনিস।
তারপরও কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। কিন্তু সেই মান দেখার জন্যতো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ আছে বা থাকা উচিত। তারা সেটা দেখছে না কেনো? আর নিরপেক্ষভাবে যদি একটি সংস্থা দিয়ে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং করানো হয় তাহলে বেশ কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ই কিন্তু উপরের দিকে থাকবে। জব মার্কেটে যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সেটার নিশ্চয়ই কারণ আছে। সেজন্যই কষ্ট করে হলেও অনেকে বেসরকারি ব্শ্বিবিদ্যালয়ে পড়ছে।
‘কে বড় কে ছোট’ এরকম চিন্তা আসলে খর্ব এবং অসুস্থ চিন্তা। যে ভাইটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তার বোনটিই হয়তো পড়ছে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে। যে শিক্ষক সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার দিচ্ছেন তিনিই হয়তো দুপুরে কোনো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ল্যাপটপ থেকে প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন। সকালে যে বিশিষ্টজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠানে অতিথি হচ্ছেন তিনিই হয়তো বিকেলে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একইরকম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের সেরা ছাত্র যখন বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাজ্যে পড়তে যাচ্ছে তখন হয়তো যুক্তরাষ্ট্রে বৃত্তি নিয়ে পড়তে যাওয়ার জন্য একইসঙ্গে ইমিগ্রেশন পার হচ্ছে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিভাগের সেরা ছাত্র।
এখানে তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার কারণে যেমন হামবড়া ভাবের সুযোগ নেই তেমনই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস আটকে দিয়ে বা ওয়েবসাইট হ্যাক করে হীনমন্যতা দেখানোর কারণও্ নেই। তারপরও যে এমন অপচিন্তা কাজ করে না এমন না। মানুষের মনস্তত্ত্বই হয়তো এরকম। সে কারণে শুধু পাবলিক-প্রাইভেট নয়, পাবলিক-পাবলিকেও চলে মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করা এক ছেলেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমফিলে ভর্তি করেনি। সেই ছেলে পরে ঘোষণা দিয়েছিলো, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করবে। খুব ভালো একটা বৃত্তি নিয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্রের একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে ওই ছেলে।
আমাদের সাধারণ উচ্চশিক্ষা আসলে জব মার্কেট ওরিয়েন্টেড। মেধার চর্চা সেখানে খুব সীমিত। তাই যে উপযুক্ত মানবসম্পদ তৈরির ব্যবস্থা করে দেবে ছেলেমেয়েরা সেখানেই যাবে। তার মানে এই না যে, বেশি টাকা খরচ করে লেখাপড়া করতে গিয়ে যখন তার দম প্রায় আটকে আসে তখন ভ্যাটের বাড়তি বোঝা চাপিয়ে তার দমটাই পুরো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)







