সৌদি আরবের জঙ্গি সংগঠনগুলো যুবকদের সন্ত্রাসবাদে টেনে আনতে এবং যেকোন সন্ত্রাসী অপারেশন সম্পন্ন করতে নারীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এছাড়া চরমপন্থার ধারণার সঙ্গে একমত নারীরা খুব সহজে সন্ত্রাসবাদের সমর্থক হয়ে উঠার কারণে সৌদি আরবের কাউন্টার টেরোরিজম এজেন্সিগুলো সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে অনেক বড় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।
সম্প্রতি আরবী দৈনিক আল রিয়াদ আয়োজিত একটি সেমিনারে এসব তথ্য উঠে আসে। ওই সেমিনারে সৌদির তরুণ নারী ও পুরুষদের চরমপন্থা থেকে বাঁচাতে নারীদের ভূমিকার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
বক্তারা বলেন, সন্তানদের উপর চরমপন্থী পুরুষদের চেয়ে নারীদের নেতিবাচক প্রভাব বেশি থাকে। কেননা নারীরা তাদের সন্তানদের সন্ত্রাসবাদের ধারণা দিয়ে বড় করতে পারেন। এছাড়া সন্তানদের উপর বাবার থেকে মায়ের প্রভাব সবসময় বেশি থাকে। তাই চরমপন্থী পরিবেশ সবসময় সন্ত্রাসীদের বেড়ে উঠতে আরো বেশি সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বক্তারা মনে করেন, সৌদি আরবে সন্ত্রাসবাদে নারীদের অংশগ্রহণ সাধারণ বিষয় হয়ে না উঠলেও তাদের সচেতনতার অভাব জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইকে আরো বেশি কঠিন করে তুলেছে। তাই মায়েরাই সন্তানদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে পারেন।
বারবার সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার নারী বক্তা আল আরবাশ বলেন, সৌদির কিছু নারী তাদের সন্তানদের মধ্যে চরমপন্থা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ করার জন্য সন্তানদের অস্ত্রও সরবরাহ করছেন।







