দেশে জঙ্গিবাদী কয়েকটি ঘটনাগুলোর পরপর যে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে
আঙুল উঠে এসেছে তারা নিজেদের ভাবমূর্তি ঠিক করতে এবং যে কোনো ধরনের
জঙ্গিবাদী কার্যক্রম ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
বৈঠক করেই এসব বিষয়ে নতুন করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা। জঙ্গিদের অনেকেই এসব নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন।
নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি ইয়াসমিন কামাল জানান, তাদের অধিকাংশ ট্রাস্টিই এখন দেশের বাইরে আছেন। বাইরে থেকে দেশে ফিরলেই বৈঠক করে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
এই বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে স্কলাস্টিকা। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এক বা একাধিক হামলাকারী স্কলাসটিকায় পড়াশোনা করেছে বলে জানতে পেরে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। ১ জুলাই হামলাকারীরা যে অপকর্ম করেছে তা স্কলাসটিকার প্রগতিশীল আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
“স্কলাসটিকা সব সময় সহনশীলতার পক্ষে এবং শিক্ষার্থীদের ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকল স্তরের জনগণের সেবা করার ও তাদের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়।”
গুলশান হামলার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে স্কলাসটিকার পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, ছাত্রছাত্রীরা যাতে সহনশীল, সহানূভূতিময় ও অহিংস আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয় এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে তা নিশ্চিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হামলায় নিহতদের মধ্যে যারা মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে নৈতিক মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়িয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তাদের জন্য আমরা গর্বিত। কেননা এমন সব মানবিক আদর্শ ধারণ করেই স্কলাসটিকা এগিয়ে চলেছে।










