ন্যু ক্যাম্পে ১০ জনের বার্সেলোনাকে হারাতে না পারার চেয়েও রিয়াল শিবিরে বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দেখা দিয়েছে দলের এক নম্বর তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চোট। যে চোটের জন্য ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ ডাগআউটে বসেই কাটাতে হয় সিআর সেভেনকে। তাহলে রোনালদোর ইনজুরি কতটা গুরুতর? তিনি কী চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলতে পারবেন?
ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান অবশ্য সমর্থকদের আশ্বস্ত করেন রোনালদোর চোট নিয়ে। এই চোটের জন্য রোনালদোর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলা আটকাবে বলে তিনি মনে করছেন না।
এল ক্লাসিকোর প্রথমার্ধে রোনালদোর গোলেই সমতায় ফেরে রিয়াল৷ দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পিকের সঙ্গে ধাক্কায় গোড়ালিতে চোট পান পর্তুগিজ তারকা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের আগে কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে আস্বস্তিতে থাকা রোনালদোকে তুলে নেন জিদান। পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় মার্কো অ্যাসেনসিওকে। শেষমেশ ম্যাচ ২-২ গোলে অমীমাংসিত থেকে যায়।
আগামী ২৬ মে ইউক্রেনের কিয়েভে লিভারপুলের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলবে রিয়াল মাদ্রিদ। জিদান নিশ্চিত যে, মেগা ফাইনালে দলের প্রাণভোমরাকে সম্পূর্ণ ম্যাচ ফিট অবস্থাতেই পাওয়া যাবে।
‘এই মুহূর্তে রোনালদোর অবস্থা ভালো না হলেও আমি নিশ্চিত চোট এমন কিছু গুরুতর নয়। কতদিন পর সে মাঠে ফিরবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। মাদ্রিদে ফিরেই তার চোটের জায়গায় স্ক্যান করানো হবে। তার পর বোঝা যাবে আঘাত কতটা গুরুতর। আমার মনে হয় না এই চোটের জন্য রোনালদোর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল খেলা আটকাবে’,-বলে জিদান।
এদিন গোল করে রোনালদো স্পর্শ করেন ডি স্টেফানোকে। এল ক্লাসিকোতে রিয়ালের হয়ে সর্বোচ্চ ১৮ গোল ছিল আর্জেন্টাইন তারকার। ক্লাসিকোর টপ স্কোরার অবশ্য মেসি। ২৫ গোল করেছেন স্টেফানোর স্বদেশী।
তবে ক্লাসিকোতে ন্যু ক্যাম্পে গোল করায় মেসির চেয়ে রোনালদো। এলএম টেনের ১১ গোলের বিপরীতে সিআর সেভেন করেছেন ১২ গোল।
বার্সার বিপক্ষে এদিন আরো একটি মাইলফলক স্পর্শ করেন রোনালদো। সেই সঙ্গে রিয়ালও। পর্তুগিজ তারকার গোলটি ছিল কাতালানদের বিপক্ষে রিয়ালের চারশতম গোল।লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে বার্সার বিপক্ষে প্রথম গোলটি করেছিলেন আর্থার জনসন। সাবিনো বারিনগা ১০০তম, জিটিসো ২০০তম এবং ইভান জামরানো ৩০০তম গেলটি করেন।







