ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পিছিয়ে পড়েও নাটকীয় জয় পেয়েছে চেলসি। তবে জয়টা নাটকীয় হলেও তাতে সঙ্গী হয়েছে বিতর্কও। রোববার কার্ডিফকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্লুজরা।
মাউরিসিও সারি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতেই পারেন। মনে করতে পারে চেলসিও। ৮৪ মিনিট পর্যন্ত যখন এক গোলে পিছিয়ে চেলসি, একটু সৌভাগ্যের দরকার ছিল তাদের। সেটা হলো বিতর্কিতভাবেই। সেটা থেকেই সমতা ফেরালেন সিজার অ্যাজপিলিকুয়েতা, আর শেষ মুহূর্তে রুবেন লফটাস চিক করলেন আরেকটি গোল। পিছিয়ে পড়েও কার্ডিফ সিটির স্বপ্ন গুড়িয়ে দেয় চেলসি।
বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অবশ্য হয়েছে ম্যাচজুড়েই। ম্যাচের শুরুতে রুডিগারকে অ্যারন গুনারসন ফাউল করেছেন বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু পেনাল্টি দেননি রেফারি। এরপরেই ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া পেদ্রোর শট একটুর জন্য চলে যায় পোস্টের ওপর দিয়ে। দুই মিনিটের মধ্যে গোল করতে পারত কার্ডিফও, কিন্তু জশ মারফির শট চলে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
কার্ডিফও একটি পেনাল্টি পেতে পারত। শন মরিসনকে বক্সের ভেতর আলোনসো ফাউল করেছিলেন বলে মনে হয়েছিল, তবে ফিরতি সুযোগও কাজে লাগাতে পারেননি লি পেলটিয়ের। ওমর নিয়াস এরপর সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি, তার হেড চলে যায় বাইরে। সুযোগ পেয়েছিল চেলসিও, কিন্তু আলোনসোর শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই নিজেদের মাঠে গোল পেয়ে যায় কার্ডিফ। একটা থ্রো থেকে হ্যারি আর্টারের করা ক্রস এসে পড়ে বক্সে, ভিক্টর কামারাসা দারুণ এক ফিনিশিংয়ে বল জড়িয়ে দেন জালে।
প্রথম একাদশে এডিন হ্যাজার্ড, এনগোলো কন্তেদের না থাকার অভাবটা বোঝা যাচ্ছিল ভালোই। জর্জিনহোর জায়গায় নেমেছেন লফটাস চিক, পেদ্রো আর হিগুয়েনের জায়গায় নেমেছেন হ্যাজার্ড আর জিরু। কার্ডিফ তার আগেও পেয়েছিল সুযোগ, তবে হ্যাজার্ড নামার পরেই সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ৮৪ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করে সমতা ফেরান অ্যাজপিলিকুয়েতা, যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে পরিষ্কার অফসাইডে ছিলেন তিনি। যোগ করা সময়ের শুরুতে উইলিয়ানের ক্রস থেকে গোল করেন লফটাস চিক, চেলসি পেয়ে যায় সৌভাগ্যের এক জয়।
৩১ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ছয়ে থেকে শীর্ষ চারের দৌড়ে আছে চেলসি।








