শুধু জাতীয় দিবসের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে চাঁদপুরের জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কার্যক্রম। শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় তরুণ প্রজন্মের অনিহা, পর্যাপ্ত মহড়া কক্ষ না থাকা এবং দর্শক খরার কারণেই এ অবস্থা বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
চাঁদপুর জেলা শিল্প কলা একাডেমী শিল্প চর্চায় জেলার একমাত্র এ মিলনায়তনেই হয় জাতীয় সকল দিবসের সরকারি অনুষ্ঠান। বছরের বাকি সময়ের বেশিরভাগই ফাঁকা পড়ে থাকে মিলনায়তনটি। নাটক, নাচ আর গানের আয়োজনে হল ভর্তি দর্শকের ঘটনা এখন অতীত। শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় তরুণ প্রজন্মের আগ্রহের ঘাটতিতেই এ অবস্থা বলে মনে করেন সংস্কৃতি সংগঠকরা।
নাট্যকর্মী শরীফ চৌধুরী বলেন, এখানে এখন টিকিট তো দূরের কথা, দর্শকদের আসার জন্য আমরা ফ্রি কার্ড বিলি করি।
দেশবরেণ্য নৃত্যশিল্পী শিবলি মোহাম্মদের জন্মভূমি চাঁদপুরে এখন নাচের প্রতি আগ্রহ কম শিক্ষার্থীদের। মহড়া কক্ষের অভাব, অভিভাবকের আগ্রহ কমে যাওয়া, আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব। সব কিছু মিলিয়ে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য জেলার সংস্কৃতি কর্মকর্তার।
চাঁদপুরের কালচারাল অফিসার আবু সালেহ মো: আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের ক্লাস রুমের কিছু সংকট রয়েছে; যদি জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে ভেঙ্গে এই জায়গায় পুননির্মাণ করা হয় তাহলে আমাদের সাস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে বেশ সুবিধা হবে।
পিছিয়ে পড়া শিল্পকলাকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং সবার মাঝে দেশীয় সংস্কৃতির ভাবধারা পৌঁছে দিতে অভিভাবক, শিক্ষক, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জেলার সংস্কৃতি সংগঠকদের।







