‘ডিজিটাল চলচ্চিত্র সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিএফডিসি প্রাঙ্গনে পালিত হলো
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস।
বাংলা চলচ্চিত্রের সুদিন ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে
সম্পর্ক উন্নয়নসহ সিনেমা হলগুলোর সংস্কার, পাইরেসি বন্ধে আইন কার্যকর, সুস্থধারার ডিজিটাল চলচ্চিত্র ও সিনেমাহল নির্মাণসহ বেশকিছু উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।
দেশের চলচ্চিত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ১৯৫৭ সালের এই দিনে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএফডিসি। বিএফডিসির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রতিবছর ৩ এপ্রিল পালিত হয়ে আসছে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস।
চলচ্চিত্র পরিচালক মুশফিক রহিম গুলজারের সঞ্চালনায় এফডিসি প্রাঙ্গনে দিবসের বর্ণাঢ্য আয়োজনে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। দিনটিকে রঙিন করতে সবার অংশগ্রহণ আশা করেন আয়োজকরা।
জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নায়ক রাজ রাজ্জাক বলেন, আমাদের মধ্যে আগে যেই সম্পর্কটি ছিলো বর্তমানে তা দেখা যায় না। তাই সবাইকে চলচ্চিত্র দিবসে আহ্বান করছি, আগের মতো সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলচ্চিত্র উন্নয়নের জন্য কাজ করবে। দুখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আজকে চারদিকে তাকিয়ে কেউ নেই। কোথায় আমদের সেই শিল্পীরা, কোথায় তথাকথিত সুপারস্টাররা, কোথায় সেসব পরিচালক তাদের জন্য এই অনুষ্ঠান কিন্তু তারাই কেউ নেই।
‘তাই তাদেরকে বলছি, তোমরা এখানে এসো তোমরা এই জায়গায় যে সম্মান পাবে অন্য জায়গায় পাবেন না।’
চলচ্চিত্রের সুস্থধারা ফিরিয়ে আনা ও আধুনিকায়নে তুলে ধরা হয় বেশকিছু প্রস্তাবনা ও সরকারি উদ্যোগের কথা জানান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
তিনি বলেন, বিভাগীয় সংস্কার, প্রেক্ষাগৃহে আধুনিক উপায়ে ডিজিটালভাবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা। এই কাজগুলো বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ। এবং চ্যালেঞ্জটি আমাদের এ বছরই মোকাবিলা করবো।
‘তবে দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো পাইরেসি। অর্থাৎ চুরি বন্ধ করার আইন, চুরি বন্ধ করার জন্য অনলাইনে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা করা। আশাকরি কাজগুলো শেষ হলে এবছর থেকে উন্নত মানের মানসম্মত ছবি দর্শকদের দিবেন পরিচালকরা।’
পরিচালকদের উদ্দেশ্য মন্ত্রী বলেন, আমরা আপনাদের প্রেক্ষাগৃহকে আধুনিক ডিজিটালদ্ধতিকে সাজিয়ে দিবো আপরারা মানসম্মত ছবি উপহার দিন।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আবার ঘুরে দাঁড়াবে এমন আশা ব্যক্ত করে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, চলচ্চিত্র উন্নয়নের আগে কিছু বাস্তব কিছু সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে আবার ঘুরবে এদেশের চলচ্চিত্র।
দিবসটিকে আরম্বরপূর্ণ করতে স্মরনিকা প্রকাশ, স্থিরচিত্র প্রদর্শনীসহ সেমিনারের আয়োজন ছিলো এফডিসি প্রাঙ্গনজুড়ে।








