চলচ্চিত্র উৎসবে আনন্দ-বেদনার ‘শাটল ট্রেন’
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রদীপ ঘোষের ‘শাটল ট্রেন’-এর প্রদর্শনী...

শনিবার (১১ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠেছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৮তম আসরের। শুরুর দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছবির সঙ্গে ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে দেখানো হয়েছে অরুণ চৌধুরীর ‘মায়াবতী’। একই বিভাগে উৎসবের দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যায় দেখানো হবে প্রদীপ ঘোষের ‘শাটল ট্রেন’।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ‘শাটল ট্রেন’ নামটি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। শাটল ট্রেনকে কেন্দ্র করেই রচিত হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাসি, কান্না বা প্রেম-ভালোবাসা আর আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য। আর এই মহাকাব্যের কিছু সময়, কিছু ঘটনা আর অনুভূতি নিয়ে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শাটল ট্রেন’। যা ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সৌজন্যে দেখতে পারবেন দর্শকরা।
রবিবার (১২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে দেখানো হবে ছবিটি। প্রদর্শনীতে নির্মাতা প্রদীপ ঘোষসহ উপস্থিত থাকবেন ছবির কলাকুশলীরাও।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের গণ-অর্থায়নে এ চলচ্চিত্রটি দেশের প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। তাই শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ তরুণীদের ছবিটি দেখার আহ্বান জানান নির্মাতা।
চলচ্চিত্রটিতে মোট আটটি মৌলিক গান রয়েছে। গানগুলোর কথা সুর এবং কণ্ঠ দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। এতে অভিনয়ও করছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬তম ব্যাচের ছাত্রী মোহসেনা ঝর্ণার ‘বহে সমান্তরাল’ গল্প অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে এই চলচ্চিত্র।
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে আগামি ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আরো যে ছবিগুলো দেখানো হবে: এন রাশেদ চৌধুরী পরিচালিত মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘চন্দ্রাবতী কথা’, আশরাফ শিশিরের বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘আমরা একটি সিনেমা বানাবো’, ফরিদ আহমেদে ‘টিউনস অব নস্টালজিয়া’, মাসুদ পথিকের ‘মায়া’, প্রসুন রহমানের ‘নিগ্রহকাল’ এবং তানিম রহমান অংশুর ‘ন ডরাই’।






