দু’দফা বন্যায় চট্টগ্রামে ১৪টি উপজেলার কৃষি ও মৎস্য খাতে অর্ধশত কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। কৃষক ও মৎস্য খামারিদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন।
দু’দফা বন্যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, রাউজান, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি এবং সন্ধীপসহ ১৪টি উপজেলায় কৃষি ও মৎস্য চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে বীজতলাসহ রোপা আমন ক্ষেত। ভেসে গেছে শত শত মাছ চাষের পুকুর ও চিংড়ি ঘের।
আমন, আমনের বীজ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানান একজন স্থানীয় কৃষক। এছাড়াও একজন মাছ চাষী তার ব্যক্তিগত ৫-৬ টা প্রজেক্টের আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার মাছ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানান।
কৃষি কর্মকর্তারা বলেছেন, জেলার প্রায় ২০ হাজার কৃষক এ বন্যায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। আর্থিক হিসেবে যাদের ক্ষতি দাঁড়াবে ৩০ কোটি টাকার বেশি। এর বাইরে রয়েছে মৎস্য খাতের বিপুল ক্ষতির হিসাব।
বীজ এবং সারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রামের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আমিনুল ইসলাম।
বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে তুলতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সমন্বিত সভা করেছেন স্থানীয় এমপি, উপজেলার চেয়ারম্যানগন ও কর্মকর্তাদের নিয়ে।
বন্যাক্রান্ত এলাকার দুরাবস্থার কথা জানিয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, মৎস খামারগুলি তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরের প্রায় চাল পর্যন্ত পানি হয়েছে। এ কারণে সকল মাছ খামার থেকে চলে গেছে।
আমনের বীজতলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উল্লেখ করে মেজবাহ উদ্দিন বীজতলার ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান।






