চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন এবং ভয়াবহ বিস্ফোরণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ কর্মীসহ কমপক্ষে ২০ জন নিহত। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ চারশ’র বেশি দগ্ধ ও আহত। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২৯টি ইউনিট।
স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতাদের হাসপাতালে যাওয়ার আহ্বান। নগরীর সব সরকারী-বেসরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সকে দ্রুত সীতাকুন্ডে যেতে অনুরোধ করেছে ফায়ার সার্ভিস।
আগুন এবং বিস্ফোরণে আহত হয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে দুই শতাধিক।
রোববার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালকুদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার রাত ১১টার দিকে কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। কিছু বুঝে ওঠার আগে বিস্ফোরণে সব লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
এখন পর্যন্ত নিহতদের মধ্যে তিন জনের নামপরিচয় জানা গেছে। এরা হলেন, ডিপোর আইসিটি কাউন্টারে কতর্ব্যরত মবিনুল হক, মহিউদ্দিন (২৪) ও হাবিবুর রহমান (২৩)। এদের মধ্যে মবিনুল ও মহিউদ্দিন বাড়ি বাঁশখালী উপজেলায়। হাবিবুরের বাড়ি ভোলায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৪ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এ কনটেইনার ডিপো। মূলত এখান থেকে বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য বিদেশে পাঠানো হয়। ডিপোটিতে ৫০ হাজারের বেশি কনটেইনার মজুত ছিল। এসব কনটেইনারে কেমিক্যাল ও গার্মেন্টস পণ্য রয়েছে। এখানে কর্তরত বেশিরভাগ লোকই চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাসিন্দা।







