পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দুই ম্যাচ হাতে রেখেই হার। পরের দুটি ম্যাচ তাই অস্ট্রেলিয়ার জন্য সান্ত্বনার সঙ্গে সম্মান রক্ষার দায় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সান্ত্বনার জয়ের পথে সহজ ম্যাচেও ঘাম ঝরল অজিদের। চতুর্থ ম্যাচে শেষপর্যন্ত ঘরের ছেলে ট্রাভিস হেডের ব্যাটে ভর করে ৩ উইকেটে জিতেছে স্বাগতিকরা। এমন ম্যাচে বাংলাদেশকেও মনে করিয়েছে ওয়ার্নার-স্মিথরা।
প্রথম ব্যাট করে ১৯৬ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। সেই রান তুলতে ১৩ ওভার বাকি থাকলেও ৭ উইকেট হারাতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।
অথচ প্রথম আধাঘণ্টা পরই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত বলে ধরে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু ম্যাচের শেষ হয়েছে নানা রঙ বদলের মধ্যদিয়েই। প্রথম ৭ ওভারে মাত্র ৮ রানে ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ৯ বছর আগে মিরপুরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে এমন শুরুই করেছিল শ্রীলঙ্কা। তবে ১৫০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সেদিন ম্যাচ জিতেছিলেন জয়সুরিয়া-সাঙ্গাকারা-মাহেলাররা। বিপরীতে ১৯৬ করে হারল ইংল্যান্ড।
প্রথম চার ব্যাটসম্যানের তিনজনই খাতা খোলার আগে আউট হন। ইংল্যান্ডকে লজ্জার হাত থেকে উদ্ধারে প্রথম ভূমিকা নেন অধিনায়ক ইয়ন মরগান ও মঈন আলী। ৫৩ রানের জুটি তাদের। উভয়ই করেছেন সমান ৩৩টি করে রান। পরে সবচেয়ে বড় কাজটি করেছেন ক্রিস ওকস ও টম কুরান। ৮২ বলে ৭৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন অলরাউন্ডার ওকস। আর কুরান করেন ‘মহাগুরুত্বপূর্ণ’ ৩৫ রান।
স্বাগতিকদের হয়ে প্যাট কামিন্স ৪টি, জস হ্যাজেলউড ও অ্যান্ড্রু টাই নেন ৩টি করে উইকেট।
যে মাঠে প্রতি ইনিংসে গড় রান ২৭০’র বেশি। সেখানে ১৯৬ রানও কঠিন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়ার সামনে। শুরু থেকে শেষ রান নেয়া পর্যন্ত কোন সময়ই শতভাগ ম্যাচে থাকতে পারেনি অজিরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে হারের আশঙ্কা জাগিয়েছে ক্ষণেক্ষণেই।
এদিনও ব্যর্থ হয়েছেন অজি ওপেনার ওয়ার্নার (১৩)। তার পেছনে হেটেঁছেন, ক্যামেরন হোয়াইট (৩), অধিনায়ক স্মিথ (৪), মার্ক স্টোয়নিস (১৪), প্যাট কামিন্স (৪)। একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে জমেছিলেন অ্যারন ফিঞ্চের জায়গায় ওপেন করা হেড।
নিজেদের হোমগ্রাউন্ডে ১০৭ বলে ৯৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেডের চার রানের আক্ষেপের ইনিংসের সঙ্গে টিম পেইনের অপরাজিত ২৫ ও মিশেল মার্শের ৩২ রানের জোড়া-তালিতে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়া।







