এখন যেমন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে গ্যালারি উপচানো দর্শক, একসময় ঘরোয়া ফুটবল-ক্রিকেটে দর্শক থাকত তেমনই। হারিয়ে যাওয়া দর্শক ভিড়কে মাঠে ফিরিয়ে আনার উপায় কী? দর্শক-সংগঠক-খেলোয়াড়রা এজন্য নানা সুপারিশ তুলে ধরেছেন। ঘরোয়া আসরে দর্শকখরা নিয়ে সাইদুর রহমান শামীমের চারপর্বের ধারাবাহিক রিপোর্টের শেষপর্বে থাকছে সেই সুপারিশমালা।
গত শতাব্দীর শেষদিকেও উপমহাদেশীয় ফুটবলে বাংলাদেশ ছিল সমীহ জাগানো শক্তি। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পাশাপাশি ফাইনালে ছিল লাল-সবুজের নিয়মিত উপস্থিতি। ক্লাব হিসেবে আবাহনী-মোহামেডানের সাফল্য ছড়িয়ে পড়েছিল সাউথ এশিয়া ছাপিয়ে।
দর্শক-খেলোয়াড়-সংগঠকরা বলছেন, সাংগঠনিক অদূরদর্শিতা আর পরিকল্পনাহীনতার কারণে আজ মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, নেপালের মতো দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশের ফুটবল। এই দুর্বলতা কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়ার তাগিদ তাদের।
আরও পড়ুন: গ্যালারি ভরা দর্শক এখন শুধুই স্মৃতি
ঢাকা শহরে সরকারি মাঠ দখলমুক্ত করে খেলার মাঠের সংখ্যা বাড়ানো ও নতুন প্রজন্মের জন্য খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করে দেয়ার পরামর্শ এসেছে নাগরিক সমাজের থেকে।
দর্শকশূন্য ফুটবল মাঠ এখন পীড়াদায়ক
ঢাকার ক্রিকেট লিগ আকর্ষণ হারালেও মিরপুরের হোম অফ ক্রিকেট হাজারো দর্শক টানে আন্তর্জাতিক ম্যাচে। ঢাকা লিগের আকর্ষণ ফেরাতে মহানগরীতে ক্রিকেট ভেন্যু বাড়ানোর দাবি অনেকদিনের। তাতে ইতিবাচক আয়োজক সিসিডএম।
যানজটের কারণেও ঘরোয়া আসরে কম দর্শক
দর্শক খরায় এখনই সবকিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে বলেও মনে করেন না খেলোয়াড়-সংগঠকরা। নীতিনির্ধারকরা পরিকল্পনা নিয়ে সক্রিয় হলে আবারো মুখরিত হবে ঢাকার ক্রীড়াঙ্গন, এমন স্বপ্ন দেখেন অনেকেই।
ভিডিও রিপোর্ট-







