আসিথা ফার্নান্দোকে নিয়ে শুরুর দাপটের পর দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের ইনিংস বেশি বড় করতে দেননি কাসুন রাজিথা। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম ম্যাচে এসে পেয়েছেন ফাইফার হওয়ার সুযোগ। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্মের আত্মবিশ্বাস আর কঠিন অনুশীলনের উপর পুরো কৃতিত্ব দিলেন লঙ্কান ডানহাতি পেসার।
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে জয়, শান্ত ও সাকিবকে দ্রুত ফিরিয়ে দারুণ শুরু এনেছিলেন রাজিথা। পরের দিন সেঞ্চুরিয়ান লিটনকে ফেরানোর পর মোসাদ্দেককে তুলে নিয়ে পান প্রথম পাঁচ উইকেটের স্বাদ। ডানহাতি পেসারের আগের ইনিংসে সেরা বোলিং ছিল ৬০ রানে ৪ উইকেট। নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব নিজেকেই দিয়েছেন রাজিথা।
মিরপুরে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান পেসার বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত সেরা সাফল্যের জন্য খুব খুশি। আমি মনে করি সাধারণ কাজটি করেছি। দুটি ম্যাচেই আমি লাইন ও লেন্থ মেনে বল করেছি। আমি মনে করি আজ ভালো ছিল।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে সাফল্যের আত্মবিশ্বাস ম্যাচেও ভালো করতে সাহায্য করেছে রাজিথাকে, ‘সফরে আসার আগে আমি ঘরোয়া ম্যাচ খেলেছিলাম। সেখানে ভালো করেছিলাম যা আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে।’
ইনজুরি সমস্যায় ভুগছিলেন রাজিথা। ট্রেইনারদের অধীনে নিয়মিত অনুশীলনে সেখানেও উন্নতি এনেছেন ২৮ বর্ষী এই পেসার। দলে ফেরার আগে দেড় বছর পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মাঝ দিয়ে গিয়েছিলেন, যা তাকে আরও বেশি ফিট ও পারফর্ম করতে সাহায্য করছে বলে মনে করেন রাজিথা।
বাংলাদেশের ৩৬৫ রানের বিপরীতে ৮ উইকেট হাতে রেখে এগিয়ে আছে লঙ্কানরা। তবে রাজিথার মতে, ঢাকা টেস্টের ফল নির্ভর করছে তৃতীয় দিনের খেলার উপর। লঙ্কান পেসার বলেছেন, ‘এটি দারুণ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। কিন্তু সবটা নির্ভর করছে আগামীকালের উপর।’
২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক হয় রাজিথার। লঙ্কানদের হয়ে গত চার বছরে ১১টি টেস্ট খেলেছেন তিনি। ১১ টেস্টের ১৭ ইনিংসে ২৮.৯৩ গড়ে তুলেছেন ৩৪ উইকেট। বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬৪ রানে ৫ উইকেট তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।








