বিআরবি ক্যাবলস বিপিএল সিজন থ্রী’র গ্রুপ রাউন্ডপর্বের শেষ ম্যাচে এমরিটের হার নামানা ৫৪ রানের ওপর ভর করে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে ২ উইকেটের জয় পেয়েছে বরিশাল বুলস।
ঢাকার ছুড়ে দেওয়া ১৩৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বুলস শিবির।
তবে শুরুটা ভালো হয়নি ববিশালের। ইনিংসের শুরু থেকেই চলে আসা যাওয়ার মিছিল। তবে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক প্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন মেহেদী মারুফ। প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের তিনি ছাড়া আর কেউই দুই অঙ্কের ঘর ছুতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মোশারফ হোসেনের বলে ফেরার আগে আগে সংগ্রহ করেন ৩৭ রান।
শেষ দিকে এমরেটের অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস বুলসদের জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়।
এর আগে, টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ডায়নামাইটসদের ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মোহম্মদ হাফিজ ও ফরহাদ রেজা। আল আমিন-সোহাগ গাজীদের হতাশায় ডুবিয়ে ওপেনিং পার্টনারশিপ থেকে তারা তুলে নেন ৪২ রান।ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে ফরহাদকে ফিরিয়ে বুলসদের প্রথম সাফল্য এনেদেন সোহাগ গাজী। তবে এদিন বুলস্ বোলিং লাইনআপের নায়ক ভারতীয় বংশদ্ভুত কুয়েতি ডানহাতি অফ স্পিনার নিখিল দত্ত।
মাত্র ২১ রানের মধ্যে হাফিজ, ওয়ালার-নাসিরকে ফিরিয়ে বুলসদের খেলায় ফেরান নিখিল। দলীয় স্কোর তখন ৪ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান। তবে বুলসদের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।ডাইনামাইটসদের খেলায় ফেরান রায়ান টেন ডয়েসচেট এবং মোসাদ্দেক হোসেন। তারা দু’জনে ডাইনামাইটস স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৩৪ রান। এরপরই ফেরেন ডয়েসচেট। এমরিটের বলে মাহমুদউল্লাহার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ২৩ বল থেকে তার সংগ্রহ ছিলো ২২ রান।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে মোসাদ্দেকের অপরাজিত ৩০ রানের ওপর ভর করে ঢাকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৬ রান। সর্বোচ্চ ৩ টি উইকেট পান নিখিল দত্ত।






